প্রচ্ছদ জাতীয় ফাঁসছেন ৪ জালিয়াত,রাজধানীতে সরকারি ২৪ শতাংশ জমি আত্মসাতে

ফাঁসছেন ৪ জালিয়াত,রাজধানীতে সরকারি ২৪ শতাংশ জমি আত্মসাতে

বজ্রশক্তি ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার:

জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে ঢাকার উত্তরায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের ২৪ শতাংশ জমি নিজেদের নামে দেখিয়ে বিক্রয় ও ব্যাংক ঋণ নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের এক কর্মকর্তাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে গত ৩ আগস্ট ওই মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়। শিগগিরই দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করবেন। রোববার (৬ আগস্ট) সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। অনুমোদিত মামলার আসামিরা হলেন- ঢাকা উত্তরার বাসিন্দা আবুল হোসেন (মুকুল), ঢাকা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের সাবেক আপিল অফিসার ইউনুছ আলী, টঙ্গীর বাসিন্দা জামির আলী ও মেসার্স গ্রিন ভ্যালি অটোমোবাইলসের মালিক গোলাম ফারুক।

অনুসন্ধান প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা জেলার উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ফায়দাবাদ মৌজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নামে অধিগ্রহণ করা জমির মধ্যে ২৪ শতাংশ নিজেদের মালিকানাধীন দেখিয়ে বিক্রয় করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২৯০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, ঢাকা জেলার উত্তরা থানাধীন ফায়দাবাদ মৌজাস্থিত সিটি জরিপের ৫৮২৫ নম্বর খতিয়ানে ১০১৬ নম্বর দাগের মোট ১.৯১২০ একর ভূমির মধ্যে ২৪ শতাংশ মহাসড়ক শ্রেণির জমি অন্যান্যদের সহযোগিতায় আবুল হোসেন নিজ নামে রেকর্ডভুক্ত করে। রেকর্ড হলেও দাগটির এক অংশ এখনও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দখলে রাখতে আবুল হোসেনসহ অন্যান্যরা ওই জমিতে “উত্তরা নিউ মার্কেট” নামক টিনশেড মার্কেটে বেশ কিছু দোকানও চালু করে। এমনকি ওই জমি দেখিয়ে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকেও প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। ওই ঋণের টাকা আত্মসাতে পৃথক আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা এখন আদালতে বিচারাধীন।