ওবায়দুল হক বাদল:
সওম একটি সাধনা। এর অর্থ আত্মসংযম। রোজা তথা সওম পালনকারী ব্যক্তি সকল প্রকার অন্যায় থেকে নিজেকে সংযত রাখবেন, বিরত থাকবেন, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ (Self Control) করবেন। মুমিন ব্যক্তি সারাদিন পানাহার ও জৈবিক চাহিদা পূরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন, নিজের আত্মাকে শক্তিশালী করবেন। তিনি অপচয় করবেন না, পশুর ন্যায় উদর পূর্তি করবেন না। তিনি হবেন নিয়ন্ত্রিত, আত্মত্যাগী। আত্মশুদ্ধির এক আধ্যাত্মি প্রশিক্ষণ এই রোজা। বঞ্চিত, ক্ষুধার্ত, দরিদ্র মানুষের দুঃখ অনুভব করে তিনি তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেবেন। আল্লাহর হুকুম মানার ক্ষেত্রে যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবেন অর্থাৎ তিনি হবেন তাকওয়াবান। তার এই চরিত্রের প্রতিফলন ঘটবে সামাজিক ও জাতীয় জীবনে। গড়ে উঠবে এমন এক সমাজ যেখানে সবাই একে অপরের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে উৎসাহী হবে, বিরাজ করবে পরস্পর সহমর্মিতা, সহানুভূতি, ভ্রাতৃত্ব। ফলাফল হবে সমাজে শান্তি।
বাস্তবতা কি বলে?
সারাবিশ্বের মুসলমানদের মতো আমরাও প্রতিবছর রমজান মাসে সিয়াম সাধনা করি। সেহরি খাই, সারাদিন রোজা রাখি, ইফতার করি, তারাবি পড়ি। যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে না তারাও এই মাসে চেষ্টা করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার।
মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

বাস্তবতা বলে, রহমত, মাগফিরাত, নাজাতের এই মাসেও আমাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখতে হয়। কিছু ক্ষেত্রে এর মাত্রা আরো বেড়ে যায়। মাহে রমজানকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য গুদামজাত করেন অতি মুনাফার লোভে। বাজারে তৈরি হয় কৃত্রিম সংকট। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কষ্টকর করে তোলে। চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর থেকে শুরু করে সবজির দাম হঠাৎ করেই বেড়ে যায়।
প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও রমজানের শুরুতেই এই চিত্র চোখে পড়ে। প্রথম রমজানে ২০ টাকা হালি লেবুর দাম বেড়ে ১২০ টাকা হয়ে যায়! ইফতারে লেবুর শরবত অনেকের পছন্দ। ঠিক এ কারণেই প্রতিবছর রমজান মাস শুরুর আগে লেবুর দাম বাড়িয়ে দেয় ব্যবসায়ীরা। বাজারে কোনো পণ্যের ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পায়। সিন্ডিকেটরা রমজানকে ঘিরে নতুন নতুন ছক কষে!
রোজা রাখা মাথায় টুপি পড়া ব্যবসায়ীরাই অবলীলায় বলেন, প্রতিবছর রমজানের শুরুতে সব পণ্যের দাম বাড়ে, এটা নতুন কিছু নয়!
অসহায় ক্রেতারা হাল ছেড়ে দেন। বলেন, রাজধানীর চারটি বাজারে গতকাল কথা হয় ছয়জন ক্রেতার সঙ্গে। তাঁদের সবার একই কথা, রমজান এলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে, এই ‘নিয়তি’ মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। পাইকারি থেকে খুচরা সব পর্যায়ের বিক্রেতারা রমজানে অতিরিক্ত মুনাফা করেন।
চাঁদাবাজি, হত্যা, খুন, ধর্ষণসহ কোনো অপরাধই থেমে থাকেনি এই মাসে
২৯ রমজান (১৯ মার্চ) ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে রাকিব নামে এক কলেজ ছাত্রকে হত্যা করা হয়। ২৫ রমজান (১৫ মার্চ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শারমিন জাহান নামে এক ছাত্রীর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসেই শুধু সারা দেশে ২৫০টি হত্যাকাণ্ড ঘটে। এই মাসে কেবল ঢাকা মহানগরেই প্রতি দুই দিনে গড়ে একজন মানুষ খুন হয়েছে। সারা দেশে ১৩৪ টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ও ৪২টি ডাকাতির ঘটনায় মামলা হয়, চুরির মামলা হয় ৬৩৪টি। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে অনেক ঘটনা ফেব্রুয়ারির শেষের দিকের রমজানে। মার্চ মাসেও এসব অপরাধ থেমে থাকে নি।
২৬ রমজান (১৬ মার্চ) রাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী। গত ১৬ মার্চ রাতে ডাকাতিয়া ইউনিয়নের পাঁচগাঁও এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এছাড়াও ফেব্রুয়ারি মাসে অর্ধশত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যার মধ্যে অনেকগুলো শেষের দিকে রমজান মাসে সংঘটিত হয়।
গত ২৫ রমজান (১৫ মার্চ) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মাদ্রাসার এক শিশুশিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছে। তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন বলে জানা গেছে।
গত ১০ রমজান (২৮ ফেব্রয়ারি) নাটোরের লালপুর উপজেলার দারুল হিকমাহ্ মডেল মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে আব্দুল আজিজ (২২) নামের এক শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।
এই হলো আমাদের রমজানের আমলনামা! আমাদের সংযম, আত্মশুদ্ধি, আত্মনিয়ন্ত্রণের চিত্র!
রমজানে কমেনি মব
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বলেছিলেন, মবের দিন শেষ, বিএনপির বাংলাদেশ। অথচ রমজান মাসেও আমরা অহরহ মব সংঘটিত হতে দেখেছি। নোয়াখালীর হাতিয়াতে মব সৃষ্টি করে অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদের একটি ইফতার মাহফিল পণ্ড করে দেয় উগ্রবাদীরা। তাদের নেতৃত্বে দেখা গেছে স্থানীয় জামায়াত ও হেফাজত নেতাদেরও। সেখানে মাইকে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করতেও পিছপা হয়নি উগ্রবাদীরা। পবিত্র রমজান মাসে ইফতার মাহফিলের মতো পবিত্র একটি অনুষ্ঠানে হট্টোগোল সৃষ্টি করল তারা। ইসলামি দল হয়ে আরেক ইসলামি দলের বিরুদ্ধে এই অরাজকতা কি সওমের শিক্ষা? রোজা রেখে আরেক রোজাদারদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, ইফতার অনুষ্ঠানে হামলার উস্কানি কি রোজার শিক্ষা? -এমন প্রশ্ন আসে বৈকি!
গত ২৫ রমজান (১৫ মার্চ) উত্তরায় অভিজাত শপিং মলে একটি মর্মান্তিক দুঃখজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে মব সৃষ্টি করে সুযোগসন্ধানী একটি উগ্রগোষ্ঠী। ভাংচুর লুটপাট চলে সমানে।
৭ রমজান (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে আহসান এইচ মনসুরকে বুধবার যখন সরানোর প্রক্রিয়াকে ঘিরে তার উপদেষ্টাসহ তিন কর্মকর্তাকে ‘মব’ বা দলবদ্ধ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ ওঠে।
অর্থাৎ কোনো অপরাধই কমেনি। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছু অপরাধ বেড়েছে।
পবিত্র মাসে আফগানিস্তান-পাকিস্তান যুদ্ধ
মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের প্রশিক্ষণের মাস রমজান। কিন্তু এই রমজান মাসেই পাকিস্তান-আফগানিস্তানের যুদ্ধের সংবাদ পুরো মুসলিম বিশ্বকে হতবাক করেছে। এক মুসলমানের হাতে আরেক মুসলমান হত্যা হবে এর থেকে দুঃখজনক আর কি হতে পারে! তাও যদি হয় পবিত্র রমজান মাসে! রোজা রেখে এক মুসলিম আরেক রোজাদার মুসলিমকে হত্যা করছে! রমজান মাসে কাবুলে হাসপাতালে বোমা মেরে ৪০০ বেসামরিক মুসলিমকে হত্যা করা হলো।
প্রশ্ন উঠেছে মক্কার আইয়ামে জাহেলিয়াতের কাফেররাও নিষিদ্ধ মাসে রক্তপাত এড়িয়ে চলত। তারা নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলত। আমরা মুসলমানরা কি তার চেয়েও নিচে নেমে গেছি? এদিকে ইরানে অন্যায়ভাবে হামলা করেছে আমেরিকা-ইসরায়েল গং। তাদের পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ করছে এরা। অন্যদিকে আরব দেশগুলো বন্ধুত্বের প্রমাণ দিচ্ছে আমেরিকাকে। অভিযোগ উঠেছে তারা ইরানকে পিষে ফেলতে আমেরিকাকে উস্কানি দিচ্ছে, অর্থ সহযোগিতা করছে। অথচ মহাসমারোহে উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে তারাও রোজা রাখছে।
সওমের উদ্দেশ্য
যে কোনো আমল (কাজ) করার পূর্বে তার আকীদা (সঠিক উদ্দেশ্য, সম্যক ধারণা) বুঝে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনি খাদ্য গ্রহণ করবেন, কিন্তু কেন খাদ্য গ্রহণ করবেন তা না জানলে ঐ কাজের ফল উল্টোও হতে পারে। আপনি জানেন যে, সুস্থ থাকার জন্য খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। তাই আপনি পুষ্টিকর, স্বাস্থ্যকর (যা আপনাকে সুস্থ রাখবে, কর্মক্ষম রাখবে) খাদ্য গ্রহণ করেন। আবার ডায়রিয়া হলে আপনি জানেন যে, পানিশূন্যতা দূর করতে হবে, তাই তখন স্যালাইন খান। অর্থাৎ আপনি উদ্দেশ্য বুঝে কাজ করেন। আপনি খাচ্ছেন উদ্দেশ্য বুঝে, তাহলে সারাদিন না খেয়ে থাকবেন (রোজা করবেন) সেটাও নিশ্চয় উদ্দেশ্য বুঝেই করা উচিত। চলুন তাহলে সওমের উদ্দেশ্য বুঝে নেওয়া যাক।
মহান আল্লাহ বলেন, “হে মো’মেনগণ, তোমাদের উপর সওম (রোজা) ফরদ করা হয়েছে, যেরূপ ফরদ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার” [সুরা বাকারা- ১৮৩]। খেয়াল করুন, প্রথমেই আল্লাহ সম্বোধন করলেন মো’মেনদেরকে। অর্থাৎ সওম (রোজা) কেবল মো’মেনদের জন্য, অন্য কারো জন্য নয়। তাহলে মো’মেন কারা? আল্লাহ বলেছেন, “মো’মেন শুধুমাত্র তারা, যারা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের উপর ঈমান আনে, অতঃপর কোনো সন্দেহ পোষণ করে না, জীবন ও স¤পদ দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় (হেদায়াহ ও সত্যদীন প্রতিষ্ঠার জন্য) জেহাদ (সংগ্রাম) করে, তারাই সত্যনিষ্ঠ (সুরা হুজরাত-১৫)। মো’মেন হবার শর্তই হলো ঈমান আনার পর আল্লাহর হুকুম তথা যাবতীয় সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য নিজের জীবন ও স¤পদ কোরবান করে প্রচেষ্টা, সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। যারা এটা করবে না তাদের জন্য সওম নয়।
এবার দেখুন প্রাগুক্ত আয়াতের শেষাংশে মহান আল্লাহ কেন মো’মেনদের উপর সওম ফরদ করলেন সে প্রসঙ্গে পরিষ্কার করে বলেই দিলেন, “যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” অর্থাৎ সওম আমাদেরকে তাকওয়া অর্জনে সাহায্য করবে।
তাকওয়ার অর্থ সাবধানে জীবনের পথ চলা। অর্থাৎ জীবনের পথ চলায় ন্যায়-অন্যায়, ঠিক-বেঠিক দেখে চলা, অসৎ কাজ পরিহার করে সৎ কাজ করে চলা, আল্লাহ ন্যায়-অন্যায়ের যে মাপকাঠি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, সেই মাপকাঠি মোতাবেক জীবনের পথ চলা। যারা অমন সাবধানতার সঙ্গে পথ চলেন তাদের বলা হয় মুত্তাকি। সুরা ফাতেহার পর সুরা বাকারা দিয়ে কোর’আন আরম্ভ করেই আল্লাহ বলছেন, “এই কিতাব সন্দেহাতীত।” (এটা) মুত্তাকিদের (সাবধানে পথ চলা মানুষদের) জন্য হেদায়াহ (সঠিক পথ প্রদর্শনকারী)” (সুরা আল-বাকারা: ২)। যারা মুত্তাকি, কিন্তু হেদায়াতে নেই- সঠিক পথে নেই, তাদের পথ দেখাবার জন্যই এই কোর’আন। অন্যান্য ধর্মে, এমন কি আল্লাহকে অবিশ্বাসকারী নাস্তিক কমিউনিস্টদের মধ্যেও বহু মানুষ আছেন যারা সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়, ঠিক-অঠিক দেখে জীবনের পথ চলতে চেষ্টা করেন। তারা মিথ্যা বলেন না, মানুষকে ঠকান না, অন্যের ক্ষতি করেন না, যতটুকু পারেন অন্যের ভালো করেন, গরীবকে সাহায্য করেন ইত্যাদি। তারা মুত্তাকি, কিন্তু তারা হেদায়াতে নেই, তারা মো’মেন না। তাদের হেদায়াতে অর্থাৎ তওহীদে আনার জন্য কোর’আন।
আত্মসমালোচনা করতে হবে
আমাদের সমাজে অধিকাংশ মুসলিমই সওম রাখছেন। কিন্তু সওমের যে শিক্ষা তা আমাদের সমাজে কতটুকু প্রতিফলিত হলো। আমরা যদি পৃথিবীতে শুধু মুসলমানদেরকে হিসাবের মধ্যে ধরি যারা আল্লাহ রাসুলকে বিশ্বাস করেন, কেতাব বিশ্বাস করেন, হাশর বিশ্বাস করেন এমন মুসলমান ২০০ কোটির কম হবে না। আমরা দেখি রোজা যখন আসে মুসলিম বিশ্বে খুব হুলুস্থ’ল পড়ে যায়। ব্যাপক প্রস্তুতি চলতে থাকে ঘরে ঘরে। রেডিও টেলিভিশনে অনুষ্ঠান প্রচারিত হতে থাকে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বড় বড় আর্টিকেল লিখতে থাকেন। বিভিন্ন ধরনের কলাম লেখা শুরু হয়। সওমের গুরুত্ব, মাহাত্ম্য, ইফতারের গুরুত্ব, সেহরির গুরুত্ব। আবার কেউ কেউ সওয়াবের জন্য রাত জেগে সেহরির জন্য মানুষকে জাগিয়ে থাকেন। কিন্তু আমাদের সওমটা যে উদ্দেশ্যে করা সেই উদ্দেশ্য অর্থাৎ তাকওয়া অর্জিত হচ্ছে কিনা, সেটা আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়ার শর্তাবলী পূরণ হচ্ছে কি হচ্ছে না এই ব্যাপারে আমাদেরকে অবশ্যই ভাবতে হবে। আত্মসমালোচনা করতে হবে।
[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট]



















