মুস্তাফিজ শিহাব:
বর্তমান বিশ্ব ও আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ আজ এক ক্রান্তিকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের সামষ্টিক জীবনে এমন এক দীন বা জীবনব্যবস্থাকে গ্রহণ করেছি যা স্রষ্টা প্রদত্ত নয়, বরং মানবসৃষ্ট। সমাজ ও রাষ্ট্রে যখন আল্লাহর দেয়া জীবনব্যবস্থার পরিবর্তে মানবসৃষ্ট জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত থাকে তখন সে ব্যবস্থাকে সামগ্রিকভাবে প্রত্যাখ্যান করা প্রয়োজন। এ প্রয়োজনীয়তার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, প্রচলিত মানবসৃষ্ট এ সকল জীবনব্যবস্থার কোনোটাই মানবজাতিকে তথা আমাদেরকে শান্তি, ন্যায় ও সুবিচার দিতে পারছে না।
তাই এ মানবসৃষ্ট জীবনব্যবস্থাকে সামষ্টিক জীবন থেকে প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহর দেয়া দীন বা জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা শুধুমাত্র একজন মো’মেন হিসেবেই আমাদের পরম কর্তব্য নয়, বরং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবেও নিজের, নিজ পরিবারের ও নিজ ভূখণ্ডের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যও এক অতি আবশ্যক কর্তব্য। বর্তমানের ক্রান্তিকালে তাই আল্লাহর দেয়া জীবনব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে দেশে ও সমগ্র বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবি। কিন্তু দীন প্রতিষ্ঠার কথা বললে অনেকেই এ দীন প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আদৌ কী মানবসৃষ্ট দীন বা জীবনব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে স্রষ্টা প্রদত্ত ত্রুটিহীন জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব- এ চিন্তা তাদেরকে দুশ্চিন্তাগ্রস্থ করে তোলেন ।
তবে এ প্রশ্নটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত। কারণ প্রচলিত কাঠামোতে বেশ কিছু বিষয় রয়েছে যা আমাদের ব্যবস্থার পরিবর্তনের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে অন্তরায় হতে পারে। এছাড়াও রয়েছে আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী শক্তিদের প্রভাব। কিন্তু এ সকল জটিল কাঠামো আমাদের দ্বারাই টিকে আছে তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা এ সবকিছুকেই বদলে দিতে পারে। কিন্তু আমরা এ ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালানোর মত অবস্থায় পৌঁছাতে পারছি না। সবথেকে বড় কারণ হচ্ছে, প্রচলিত ব্যবস্থায় রাজনীতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে রাজনীতি ও স্বার্থোদ্ধারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি দীন প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে ইসলাম নিজেই একটি সার্বভৌম জীবনব্যবস্থা সেখানে ইসলামের চেতনাকে ব্যবহার করে প্রচলিত মানবসৃষ্ট ধারাগুলোতে রাজনীতি করার ফলে, ইসলাম এর প্রকৃত স্বরূপ জনগণের সামনে ধোঁয়াশা হয়ে রয়েছে। তারা এ ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি’র কারণে ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ দীন হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচলিত ব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড় করাতে পারছেন না। তাই এই একটি বিষয়ই দীন প্রতিষ্ঠার পথে এক বৃহৎ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

প্রচলিত ব্যবস্থায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার পন্থা বনাম আল্লাহর রসুলের সুন্নাহ
আমাদের সমাজের প্রচলিত রাজনীতিতে যারা ধর্মভিত্তিক দল হিসেবে পরিচিত তারা জনগণের সামনে ইতোমধ্যেই ধর্ম প্রতিষ্ঠার একটি রূপকে তুলে ধরেছে। তাদের দাবি, তারা প্রচলিত ব্যবস্থা অনুসারে রাজনীতি করে ক্ষমতায় গিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে। এ ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠা’ বলতেও তারা মূলত প্রচলিত আইন-কানুনের সাথে ইসলামিক আইন-কানুন মিলিয়ে এক ‘জগাখিচুড়ি’ তৈরি করার বিষয়টিই তুলে ধরে। কিন্তু আদৌতে যে তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার বদলে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথকে আরো বেশি ধোঁয়াশা করে দিচ্ছে সে তিক্ত সত্য উপলব্ধি করতে পারে না। যদি প্রচলিত ব্যবস্থায় ক্ষমতা অর্জন করার পর ইসলামের নিয়ম নীতি প্রয়োগ করলেই ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যেত তবে রসুল (স.) সে নীতি গ্রহণ করলেন না কেন? তাঁর প্রিয় চাচা আবু তালেব যখন তাঁকে তওহীদের শাশ্বত বাণী প্রচার না করার উপদেশ দিলেন তখন রসুলের (স.) জবাব কী ছিল? তিনি বলেছিলেন তাঁর এক হাতে চন্দ্র ও আরেক হাতে সূর্য দিয়ে দিলেও তিনি তাঁর কার্যক্রম বন্ধ করবেন না। “সিরাত ইবনে ইসহাক” গ্রন্থেই এ প্রসিদ্ধ ঘটনাটি রয়েছে। সেখানে স্পষ্ট রয়েছে যে তৎকালীন আরবের নেতারা তাঁকে ক্ষমতা দিতে চেয়েছিল, পুরো আরবের গোত্রগুলোর উপর কর্তৃত্ব দিতে চেয়েছিল, কিন্তু তিনি সে ক্ষমতা গ্রহণ করেননি। তিনি আল্লাহ প্রদত্ত কর্মসূচী মোতাবেক দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন। তাই আমাদের ধর্মভিত্তিক দলের নেতারা যখন ক্ষমতায় গিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তখন মূলত তারা ইসলামের ক্ষতি করে। ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে এ আশায় সাধারণ মানুষ তাদেরকে বিশ্বাস করে কিন্তু আদৌতে কোনো লাভ হয় না। বরং, সাধারণ মানুষ তাদের মাধ্যমে এক প্রকার প্রতারণার শিকার হয় ।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ব্রিটিশ শাসন ও দ্বিজাতি তত্ত্ব
ধর্মভিত্তিক দলগুলোর ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি’র বিষয়টি হঠাৎ করেই উদ্ভাবিত হয়নি বরং এর শেকড় রয়েছে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের সময়কালে। ব্রিটিশরা যখন ভারত উপমহাদেশে নিজেদের ঔপনিবেশ স্থাপন করল তখন থেকেই তারা শাসনের বদলে শোষণকে প্রাধান্য দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রিটিশরা দুইটি বিশ্বযুদ্ধ ও ভারত উপমহাদেশসহ অন্যান্য ঔপনিবেশগুলোর অভ্যন্তরীন বিদ্রোহের ফলে তাদেরকে তথাকথিত ‘স্বাধীনতা’ দেয়ার স্বীকৃতি দিলেও ততদিনে ভারতবর্ষ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। সে ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মূল নীতি হিসেবে ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ গৃহিত হলো। এ তত্ত্বের মূলেও ছিল ইসলামিক চেতনা। ধর্মভিত্তিক দলগঠন করে জনগণকে ‘ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে’ এ চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমেই পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেখানেও যখন ইসলামের মূল ধারার বদলে ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া তন্ত্র-মন্ত্রের সাধন শুরু হল তখন ধর্মকে রাজনীতিক স্বার্থে ব্যবহার বেশ স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশে এখন ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করার ধারাটি অব্যহত রয়েছে।
রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার: দীন প্রতিষ্ঠার বাধা
ধর্মকে বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ বাংলাদেশে ইসলামকে রাজনীতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সবথেকে বড় ক্ষতি যেটা হয়েছে তা হচ্ছে ধর্মের প্রকৃত রূপ হারিয়ে গেছে। ইসলাম যা একটি পূর্ণাঙ্গ দীন স্বরূপ মহান আল্লাহ তাঁর রসুলকে অর্পন করেছিলেন সে দীন আকিদাবিচ্যুতির ফলে একটি উপসনা নির্ভর ধর্মে পরিণত হয়ে গেল। সাধারণ জনগণ ইসলামের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে না জানার অন্যতম কারণ ব্রিটিশ প্রণিত শিক্ষাব্যবস্থা ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হলেও ব্রিটিশ চলে যাওয়ার পরেও জনগণ এ দীনের প্রকৃত স্বরূপ জানতে পারেনি। ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করার কারণেই তারা ইসলামকে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার বদলে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গণ্ডিতে ধারণ করেছে।
এছাড়াও ধর্মভিত্তিক দলগুলো যে ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করছে সেটাও নয়। তারা তাদের দলীয় স্বার্থ হাসিলের জন্য, নির্বাচনে কয়েকটা ভোট বেশি পাওয়ার জন্য, নিজেদের দুনিয়াবী চাওয়া পাওয়া পূরণ করার জন্য ইসলামকে ব্যবহার করেছে ও করছে। তারা আমাদের প্রাণ প্রিয় রসুলের (স.) লেবাসকে ধারণ করে নির্বাচনী প্রচারণাগুলোতে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়, গলাবাজি করে ও অযৌক্তিক কথাবার্তা বলে। সাধারণ মানুষ তাদের এ লেবাস দেখে তাদেরকে বিশ্বাস করে পরবর্তীতে তাদের হাতেই শোষিত হয়। তারা কোর’আন ও সুন্নাহর কথা মুখে বললেও অন্যান্য সেকুল্যার রাজনৈতিক দলগুলোর মতই দুর্নীতি, অপরাজনীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ইত্যাদিতে মগ্ন থাকে। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই সেক্যুলার দলের কাছ ইসলামের আদর্শ নেই তাই তারা এসকল দূষণে দূষিত, তাহলে ইসলামের কথা মুখে বলে, রসুলের (স.) লেবাস কে ধারণ করে ধর্মভিত্তিক দলগুলোও ক্ষমতায় গিয়ে একই কাজ কীভাবে করতে পারে? তাদের এ ধর্র্মীয় লেবাসের ভণ্ডামী আমাদের মত যারা সত্যিকার অর্থেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায় তাদের ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে বাধাগ্রস্ত করে। সাধারণ মানুষ তাদেরকেই ইসলামের ধারক-বাহক মনে করে, এবং এর ফলে তারা ধরেই নেয় যে এভাবেই ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে। আর এ ‘মনে করা’র কারণটাই সত্যিকারের ইসলাম প্রতিষ্ঠার পথকে আরো জটিল করে তুলেছে।
বিশ্বজনীন অস্থিরতা ও মানব রচিত ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা
যদি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করি তবে মানবসৃষ্ট জীবনব্যবস্থার ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে যায়। তথাকথিত উন্নত বিশ্ব গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের নামে যেভাবে শুধুমাত্র দুটি বিশ্বযুদ্ধে প্রাণহানী করেছে, তত প্রাণহানী ইতোপূর্বে বিশ্বে হয়নি। পরবর্তীতে তথাকথিত ‘প্রগতিশীল’ পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা অস্ত্র বাণিজ্যের স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধকে টেনে নিয়ে গেছে। সেখানেও যে ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে তা মানবজাতি ও মানবতাকে ভুলুণ্ঠিত করে। এ সময় আক্রান্ত প্রতিটি দেশই নিজেদের সামষ্টিক জীবনের মানবসৃষ্ট জীবনব্যবস্থাকে আঁকড়ে ধরেছিল। কিন্তু আদৌতে এ ব্যবস্থা তাদের দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি। তাই ইতিহাসের এ ধারাবাহিক ঘটনাগুলোর পর্যালোচনাই মানবসৃষ্ট ব্যবস্থার ব্যর্থতাকে সমর্থন করে। এছাড়াও আমাদের দেশের অভ্যন্তরীন অবস্থার দিকে তাকালেই সচেতন পাঠকমাত্রই বিষয়টি আরো সহজভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন।
তাই যখন এ পরিস্থিতিতে আমরা, হেযবুত তওহীদ, দীন প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাত্মক সংগ্রাম করে যাচ্ছি তখন তথাকথিত ধর্ম নিয়ে স্বার্থোদ্ধারের রাজনীতির ভ্রান্ত দিকটির অপনোদন করার বিষয়টিও আমরা সাধারণ জনগণের সামনে তুলে ধরছি। আমাদের এখন এ সত্যকে উপলব্ধি করতে হবে যে যদি সত্যিকার অর্থেই আমরা আমাদের সমাজে ও রাষ্ট্রে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে চাই তবে আমাদের আল্লাহর দেয়া দীন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আর সে দীনকে প্রতিষ্ঠার পথে সবচেয়ে বড় যে বাঁধা, ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, সে বাঁধার গোলকধাঁধা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। তবেই প্রকৃত অর্থে আমরা শান্তি পাবো, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম নিরাপদে থাকবে এবং আমাদের আগত ভবিষ্যৎ সুন্দর ও প্রগতিশীল হবে।
পরিশেষে এ কথা স্পষ্ট যে, ধর্মকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই যে সংস্কৃতি, তা মূলত আমাদের মুক্তির পথকেই রুদ্ধ করে দিচ্ছে। একদল মানুষ যখন ইসলামের লেবাস ধারণ করে প্রচলিত পচা-গলা ব্যবস্থার অংশ হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের কাছে দীনের প্রকৃত রূপ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। কাজেই, সত্যিকার অর্থেই বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং জাতীয় সংকট থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
আমরা, হেযবুত তওহীদ, আহ্বান করব সত্যকে আলিঙ্গন করার জন্য। ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতির যে মরণ ফাঁদে আমরা আটকা পড়ে আছি সেখানে থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আর আজ যদি সকল ভেদাভেদ ভুলে এ ফাঁদ থেকে বের হতে না পারি তবে আমাদের অবস্থা অন্যন্য ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশগুলোর মত হতে খুব বেশি একটা সময় লাগবে না। তাই আমরা, হেযবুত তওহীদ, আশা করব আমাদের এ বার্তা আপনারা গ্রহণ করবেন এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশ ও জাতি গঠনে আপনাদের ভূমিকা নিশ্চিত করবেন।
(লেখক: শিক্ষক ও কলামনিস্ট, facebook/glasnikmira13)



















