প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সময়ের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন...

সময়ের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন রেনেসাঁ

১৪ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

অন্যায়ের দুর্গ যতই মজবুত হোক সত্যের আঘাতে তার পতন অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.) কে দিয়ে মহাশক্তিধর বাদশাহ নমরুদের জুলুমবাজির শাসনব্যবস্থার পতন ঘটালেন। সেটা ছিল প্রাচীন ব্যবিলনীয় সভ্যতা যার নিদর্শন আজও হারিয়ে যায়নি। তৎকালে সেটাই ছিল বিশ্বের শীর্ষ সভ্যতা। তারা অহঙ্কারে এতটাই স্ফীত হয়েছিল যে উঁচু মিনার তৈরি করে তারা আল্লাহর আরশ দেখতে চাইত। তারা ঝুলন্ত উদ্যান নির্মাণ করেছিল। কিন্তু যখনই সেখানে মানবতা ভুলুণ্ঠিত হয়েছে তখনই তা অর্ধম হিসাবে সাব্যস্ত হয়েছে। তখন মহান আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.) কে পাঠালেন পুরাতন জীর্ণ পরম্পরার জাহেলিয়াতের বিনাশ সাধন করে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে একটি নতুন সভ্যতা গড়ে তোলার জন্য। তিনি সেটা করলেন। আল্লাহ তাঁকে মিল্লাতের পিতা বলে অভিহিত করলেন (সুরা ইব্রাহিম ৭৮)। তিনি আল্লাহর তওহীদের শিক্ষা দান করলেন তাঁর পুত্রগণকে। পুত্র ইসমাইল (আ.) কে নিয়ে তিনি মিল্লাতের ঐক্যের কেন্দ্র হিসাবে কাবাগৃহ পুনর্ণিমাণ করলেন। প্রবর্তন করলেন হজ্বের। সমস্ত শেরক কুফরের মূলোৎপাটন করলেন তিনি। বললেন, আমি আমার পূর্ণ মনোযোগ একনিষ্ঠভাবে (হানিফ) তাঁরই দিকে নিবদ্ধ করেছি, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মোশরেকদের অন্তর্ভুক্ত নই (সুরা আন’আম ৮০)।

কিন্তু তাঁর সাড়ে তিন হাজার পর এসে সেই তওহীদভিত্তিক দীন আবারও শেরক ও কুফরে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে গেল। যেই মূর্তি ভাঙার দরুন ইব্রাহিম (আ.) কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল আবারও বনি ইসমাইল কাবা প্রাঙ্গণে ৩৬০ টি মূর্তি স্থাপন করল। তারা ধর্মের নামে অধর্ম আর ধর্মান্ধতার চর্চা শুরু করল। উলঙ্গ হয়ে মানুষকে হজ্ব করতে বাধ্য করা হলো। ধর্মের নামে হাজার রকমের বিধিনিষেধ আরোপ করল ধর্মব্যবসায়ী আবু জাহেলরা। মানুষ যখন অন্ধত্বে ডুবে গেল তখন ন্যায় অন্যায়ের আর কোনো পার্থক্য থাকল না। সভ্যতা ও জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা থেকে তারা ছিটকে গেল। ওদিকে গড়ে উঠল রোমান সভ্যতা, পারস্য সভ্যতা, চৈনিক সভ্যতা। কিন্তু আরবরা সেদিকে গেল না, তারা পরিচিত হলো মারামারি আর কামড়া-কামড়িতে ব্যাপৃত একটি বিশৃঙ্খল জনগোষ্ঠী হিসেবে। তাদের যুগের নাম দেওয়া হলো আইয়্যামে জাহেলিয়াত বা অজ্ঞতার যুগ। যে জাহেলিয়াতকে ইব্রাহীম (আ.) দূর করেছিলেন সেই জাহেলিয়াত যখন আবার পুনর্বাসিত হলো আল্লাহ তাঁর শেষ নবীকে পাঠালেন। সেই জাহেলিয়াতকে নির্মূল করার জন্য তাঁকে সকল অজ্ঞতার মস্তকে প্রচ- বেগে আঘাত করতে হয়েছে।

তিনি বাল্যকাল থেকেই সমাজ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন, চিন্তাশীল মানুষ ছিলেন। যুক্তির বাইরে তিনি কোনো কিছু ভাবতে পারতেন না। চিন্তা না করে কিছু বলতেন না। তাঁর উপর প্রথম যে আয়াতটি নাজেল হলো সেটা হচ্ছে – ইক্বরা অর্থাৎ পড়। তিনি বললেন, ‘আমি তো পড়তে পারি না’। তিনবার তাঁকে পড়তে বলা হলো, তিনি প্রতিবার বললেন, ‘আমি তো পড়তে পারি না’ (আয়েশা রা. থেকে বোখারি)। কিন্তু তাকে ছাড় দেওয়া হলো না, তাঁকে পড়ার জ্ঞান দান করলেন আল্লাহ। সেই হেরাগুহার পাদদেশ থেকে নতুন ইতিহাসের সূচনা হলো। মানুষ জানি না বললে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে বলছেন, “আর যে বিষয় তোমার জানা নাই তার অনুসরণ করো না। নিশ্চয় কান, চোখ ও অন্তকরণ- এদের প্রতিটির ব্যাপারে সে জিজ্ঞাসিত হবে। (সুরা বনি ইসরাইল ৩৬)।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

সাফা পর্বতের পাদদেশে যেদিন তিনি প্রথম প্রকাশ্যে তওহীদের আহ্বান জানালেন সেদিনই শুরু হলো পাথর নিক্ষেপ। বর্ষিত হলো গালি। তিনি সত্যের মশাল নিয়ে এগিয়ে চললেন। বজ্রনিনাদে ঘোষণা করলেন – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই। তখন ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি ঐ সমাজকে কুরে কুরে খাচ্ছে। শোষণ করছে জোঁকের মতো। গোত্রপতিরা শাসন করছে নিজেদের মর্জিমত। রসুলাল্লাহর চাচা আবু তালিবের কাছে প্রস্তাব দেয়া হলো তাকে থামানোর জন্য। এজন্য তাকে সম্পদ, ক্ষমতা, নারী সবকিছুর লোভই দেখানো হলো। কিন্তু তিনি কোনো প্রলোভনে দুর্বল হলেন না, আত্মসমর্পণ করলেন না। পাহাড়ের মতো অটলভাবে বললেন, “যদি আমার এক হাতে চাঁদ, আরেক হাতে সূর্যও তুলে দাও, তবু আমি আমার এ পথ পরিত্যাগ করব না। এতে হয় আল্লাহ আমাকে বিজয়ী করবেন, নয়তো মোহাম্মদ (সা.) ধ্বংস হয়ে যাবে।” (সিরাতে রসুলুল্লাহ সা.- ইবনে ইসহাক)।
পরিশেষে আল্লাহর বিজয় হলো, মানবতার বিজয় হলো। আল্লাহর বিজয় কীসে? মানবতার বিজয়ের মধ্যেই আল্লাহর বিজয়। আল্লাহর রসুল এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন যেখানে এমন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হলো – একজন নারী একা শত শত মাইল পথ দিনে রাতে হেঁটে যেতে পারতেন। তখন একা একটা মেয়ে রাতের বেলায় হেটে যেতে পারতেন। যে বেলালদের মানবেতর জীব বলে গণ্য করা হতো, হাটে বাজারে বিক্রি করা হতো, সেই বেলালকে(রা:) তিনি কাবার উপরে ওঠিয়ে আল্লাহর বিজয়ের ঘোষণা প্রচার করলেন। ধর্মব্যবসা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। ক্রমান্বয়ে বিক্ষুব্ধ বঞ্চিত অবদমিত মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেল। ঐশী নেতৃত্ব পেয়ে গেল আল্লাহর পক্ষ থেকে। একটি রেনেসাঁর সৃষ্টি হলো। একটি মহাজাগরণ বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিল। সেই রেনেসাঁর প্রথম আঘাতে শেরক আর কুফরের মস্তক মরুর বালুতে লুটিয়ে পড়ল। মূর্তির নামে চলা হুকুমত ধ্বংস হয়ে গেল। আরবের মানুষগুলো ঐক্যবদ্ধ হলো। যারা অপরিচ্ছন্ন থাকত তারা পাঁচ ওয়াক্ত ওজু করতে শিখল। যারা বিশৃঙ্খল ছিল তারা এক কাতারে দাঁড়িয়ে সালাহ কায়েম (নামাজ) করতে শিখল। বিবদমান মানুষগুলো ভাই ভাই হয়ে গেল। যারা ছিল চিন্তাহীন, কাঠ পাথরের মূর্তির সামনে মাথা নোয়ানোর জাতি, তারা চিন্তায় ও কর্মে, বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে, আবিষ্কারে ও গবেষণায়, ধনে ও শক্তিতে বিশ্বের সকল জাতির শীর্ষে চলে গেল। তাদের সমাজ থেকে সকল অন্যায় দূরীভূত হয়ে গেল। সেই রেনেসাঁর ঢেউ আছড়ে পড়ল বাকি দুনিয়ায়। গোটা মানবজাতিই সমৃদ্ধ হয়ে উঠল ইসলামের উদ্বোধনে (সুবাহানাল্লাহ)।

কিন্তু সব সভ্যতার ধারকদেরই পদস্খলন হয়। রসুলাল্লাহর সামনে বসে যে সাহাবিরা ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেছিলেন, সেই সাহাবিরা যখন একে একে ধরাপৃষ্ঠ থেকে বিদায় নিলেন, তখন প্রকৃত ইসলামের আকিদা বিকৃত হতে শুরু করল। রসুলাল্লাহর বিদায়ের ৬০/৭০ বছর পর জাতি তার লক্ষ্য ভুলে গেল। জাতির নেতৃত্ব উম্মতে মোহাম্মদীর নীতি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হলো। তাদের উপর দায়িত্ব ছিল সমগ্র পৃথিবীকে এই শান্তি-সুখের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। তারা সেই সংগ্রাম ত্যাগ করল। ফলে জাতি শক্তি হারিয়ে ফেলল। তারা অন্তর্কলহে খ- বিখ- হয়ে গেল। ওদিকে শত্রুরা হয়ে উঠল শক্তিশালী, সুযোগসন্ধানী ও প্রতিশোধ-পরায়ণ। তারা হামলা চালাতে লাগল একটার পর একটা। তাদের সঙ্গে পেরে উঠতে না পেরে মুসলিম জাতি ইউরোপীয় জাতিগুলোর দাসে পরিণত হলো।

দুইশ বছর দাসত্বের পর এ জাতি আবারও মূর্খের জাতিতে পরিণত হলো। আবারও তারা ধর্মান্ধ হলো। তাদের কাছে কোন পীর কী বলল, কোন দরবেশ কী বলল, কোন মৌলভি কী বলল সেটাই ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার তাদের কাছে মানবতার চেয়ে মাসলা-মাসায়েল বড় হয়ে দাঁড়ালো। মানুষ নিষ্পেষিত হতে লাগল ধর্মের যাঁতাকলে। তিন কোটি ভারতবাসী রাস্তাঘাটে না খেয়ে মারা গেল। এভাবেই দিন যাচ্ছে। ইজ্জত হারাচ্ছে নারীরা, অগ্নি সংযোগে প্রাণ হারাচ্ছে নুসরাতরা। একটি বৃক্ষ যখন অতি বৃদ্ধ হয় তখন তার পতন হয়। এই সভ্যতারও পতনের সময় এসে গেছে। এখন তাকে মরতে হবে। এই মৃত্যুর প্রাক্কালে নতুন সভ্যতার বীজ আল্লাহ ধরাপৃষ্ঠে রোপণ করেছেন। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন রেনেসাঁ।

সুখবর এই যে, আজ দিকে দিকে সেই নতুন রেনেসাঁর ঢেউ লেগেছে। আবারো লাখো কণ্ঠে মানুষ বলছে, এই অন্ধত্বের দেওয়াল ভাঙতে হবে। এই কূপম-ূকতার চর্চা, ধর্মের এই অপব্যবহার আমরা আর চাই না। আমরা চাই ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ও যুক্তি-বুদ্ধি, জ্ঞান ও মানবতার প্রতিষ্ঠা। আল্লাহ যা বলেছেন রসুল যা করেছেন, সেটাই হবে ইসলাম। এখানে আর কারো খবরদারি চলবে না। আমরা ধর্মব্যবসায়ীদের দেখেছি, তাদের কথা শুনেছি। তোমরা এখন আর আল্লাহর খেলাফত করছ না। তোমরা শয়তানের খেলাফত করছ। তোমরা ধর্মকে স্বার্থের কল বানিয়ে নিয়েছ। তোমরা যা বলো মিথ্যা বলো। তোমাদের ধবধবে লেবাসের অন্তরালে যে কুৎসিত চেহারা লুকায়িত আছে, আমরা তা দেখেছি। আমরা আর তোমাদের মানব না। আমরা সবাই বলব, আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নাই – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মোহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ (সা.)। আল্লাহর হক সত্য, তার হুমুকও হক সত্য। কিন্তু তোমরা সত্য নও। আমরা তোমাদের প্রত্যাখ্যান করলাম। এখন সত্যকে ধারণ করে আমরা হবো মো‘মেন, আমরা হবো উম্মতে মোহাম্মদী।

 

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ, ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ফেসবুক পেইজ: facebook.com/emamht]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে হেযবুত তওহীদের এক সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটির গাজীপুর জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১২…
১২ মে ২০২৬ জাতীয়
পারমাণবিক উত্তেজনা কমাতে মস্কোর বিশেষ উদ্যোগ

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা…
১০ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
৫ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
৪ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
৩ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
২ মে ২০২৬ ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
১ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
১ মে ২০২৬ ঢাকা

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থী বহনকারী সিএনজির সঙ্গে ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন পরিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি…
২৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা