মুসলমানদের সঙ্কট ও পরিত্রাণের পথ

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০১:৩৪ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সঙ্কট কোনটি এমন প্রশ্নের উত্তরে হয়ত একেক জন একেকটা বিষয় উল্লেখ করবেন। কেউ বলবেন অনৈক্য, নিজেদের মধ্যে হানাহানি, কেউ বলবেন অশিক্ষা, কুশিক্ষা, দারিদ্র্য, কুসংস্কার আবার কেউ হয়ত বলবেন অন্যান্য জাতির দ্বারা নির্যাতিত, অপমানিত, লাঞ্ছিত, নিপীড়িত হবার কথা। আবার মুসলমানদের সঙ্কট নিয়ে কয়জন চিন্তা করেন তা সন্দেহের বিষয়। কিন্তু মুসলিম হিসাবে আমাদেরকে অবশ্যই ভাবতে হবে এ জাতির সঙ্কট নিয়ে এবং এ থেকে পরিত্রাণের পথ নিয়ে।
যখন রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর বৌদ্ধরা অত্যাচার চালায়, ফিলিস্তিনি মুসলিমদের উপর ইহুদিরা বর্বরোচিত হামলা চালায়, কাশ্মিরের মুসলিমদের উপর হিন্দুরা পাশবিক নির্যাতন চালায়, বসনিয়ার মুসলিমদের উপর খ্রিষ্টানরা নিষ্ঠুরভাবে নিপীড়ন চালায় তখন তার প্রতিবাদে জুমার দিনে এখানে ওখানে বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিষ্টান, ইহুদিদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়, নিজেদের দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সংঘাত হয়, নিজেদের দেশের বিভিন্ন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়, মনের জ্বালা মেটাতে বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিসংযোগ করা হয়, ভাংচুর করা হয়। এটা সত্য যে কোনো নিপীড়িত মানুষের নিপীড়ন দেখে বিক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক কিন্তু এ সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে তা নিয়ে চিন্তা না করে কেবল প্রতিবাদ করে কোনো লাভ আজ পর্যন্ত হয় নি, কারণ আমাদের এই অনর্থক প্রতিবাদে কোনো জনগোষ্ঠীই আজ পর্যন্ত রক্ষা পায় নি। তাছাড়া মুসলিমদের এই অবস্থার, এই পরিণতির জন্য সবচেয়ে আগে যে বিষয়টি দায়ী সেটা হলো আদর্শচ্যুতি, লক্ষ্যচ্যুতি। যার পরিণামে তারা নিজেদের মধ্যেই আজ অনৈক্য, দ্বন্দ্ব, সংঘাতে লিপ্ত। মধ্যপ্রাচ্যে আজকের ভয়াবহ যে সঙ্কট সেটা নিজেরা নিজেরা ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত, শিয়া-সুন্নী দ্বন্দ্ব, সেটা কিন্তু কেউ বলছেন না। মহানবী (সা.) বলেছেন ইহুদিরা ৭২ ফেরকায় বিভক্ত হয়েছে আর আমার উম্মাহ ৭৩ ফেরকায় বিভক্ত হবে। অনেক আলেম ৭৩ ফেরকা বলতে অসংখ্য ভাগে ভাগ হয়ে যাওয়ার কথা ব্যাখ্যা করেছেন। এখন মুসলিম জাতির সেই পরিণতিই হয়েছে। আমরা হাজারো ভাগে বিভক্ত। নিজেরাই নিজেদের শত্রুতে পরিণত হয়েছি।
কেন আমাদের এই পরিণতি হলো?

মহানবী মোহাম্মদ (সা.) যখন আইয়্যামে জাহেলিয়াতের অন্ধকার সমাজে আসলেন তখন সেই সমাজের মানুষগুলো অনৈক্য, হানাহানি, যুদ্ধ, রক্তপাতে নিমজ্জিত ছিল। দুর্বলের কোনো অধিকার ছিল না, মানুষের উপর জোরপূর্বক দাসত্ব পাচিয়ে দেওয়া হতো, দরিদ্রের উপর ছিল অর্থনীতিক চূড়ান্ত অবিচার, নারীদের কোনো সম্মান ছিল না, কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো এক কথায় সকল দিক দিয়ে তারা ছিল চরম অন্যায়, অবিচার আর অশান্তির মধ্যে নিমজ্জিত। সেই সমাজের মানুষকে রসুলাল্লাহ (সা.) সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ একটা জাতিতে পরিণত করলেন। সত্য, ন্যায়, সুবিচার, সাম্য, নিরাপত্তা, ন্যায্য অধিকার এক কথায় চূড়ান্ত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলো সেই সমাজে। সেই জাতি গঠন, সেই সমাজ প্রতিষ্ঠা, সেই সভ্যতা নির্মাণের ভিত্তি ছিল কলেমা- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ মহাম্মাদুর রসুলাল্লাহ” অর্থাৎ “আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানব না, মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রসুল”। আল্লাহর হুকুম মানে হলো- চূড়ান্ত ন্যায়, অর্থাৎ ন্যায়ের ভিত্তিতে রসুল (সা.) উম্মতে মোহাম্মদী নামক একটি জাতি গঠন করলেন যারা রসুলাল্লাহ (সা.) এর ইন্তেকালের পর আরবভূমি থেকে পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়লেন সেই ন্যায়ভিত্তিক, কলেমা ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য। অর্ধ-পৃথিবীতে সত্য, ন্যায়, সুবিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হলো। মুসলিম জাতি হলো শ্রেষ্ঠ জাতি, শিক্ষকের জাতি, সবচেয়ে উন্নত জাতি ও তখনকার সময়ের সর্বাধুনিক সভ্যতার নির্মাতা। অন্যান্য সকল জাতি তাদের দিকে সভয় সম্ভ্রমে তাকিয়ে থাকত। কিন্তু দুর্ভগ্যজনক ব্যাপার হলো- এ জাতির পরবর্তী সুলতানগণ ভোগ-বিলাসিতায় মত্ত হলো। তারা আর ইসলামের খলিফা থাকল না, তারা হয়ে গেল রাজা-বাদশাহ্, কিসরা, কায়সার। ক্ষমতার লোভ তাদের পেয়ে বসল, রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলল, ন্যায়ের দণ্ড ছেড়ে স্বার্থের দণ্ড ধারণ করল। ন্যায়ের দণ্ড ছাড়ার অর্থই হলো- কলেমা থেকে বিচ্যুত হয়ে যাওয়া। ভিত্তিই যখন নষ্ট হয়ে গেল তখন তাদের মধ্যে নানা রকম অনৈক্য, বিভেদ জন্ম নিল। নিজেদের মধ্যে শুরু হলো ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। সময়ের ব্যবধানে এক মুসলিম উম্মাহ ভেঙ্গে শিয়া-সুন্নী, শাফেয়ী, মালেকী, হানাফী, হাম্বলী, মুজাদ্দেদিয়া, নক্সবন্দীয়, আলিয়া, খারেজি এক কথায় হাজারো ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। এটা স্বাভাবিক যে, বিভক্তি মানেই হলো দুর্বল হয়ে যাওয়া। এই জাতিও নিজেরা নিজেরা দ্বন্দ্ব, সংঘাত, হানাহানি করতে করতে দুর্বল হয়ে গেল। এক সময় এই সুযোগটাই নিল অন্য জাতিগুলো। আস্তে আস্তে পৃথিবীর প্রায় সকল জাতিই এই মুসলিম জাতির উপর নানামুখী নির্যাতন, অত্যাচার করার সুযোগ ও সাহস পেল। আজকে পৃথিবীব্যাপী মুসলিমদের যে করুণ পরিণতি তার মূল কারণ এটাই। বর্তমানে মুসলিম জাতির সবচেয়ে বড় সঙ্কটও নিজেরদের মধ্যে নানামুখী অনৈক, বিভেদ, হানাহানি এবং এর ফলে পৃথিবীব্যাপী এই জাতির উপর চলছে নির্যাতন, নিপীড়ন, অঞ্ছনা, অপমান।
এখন করণীয়:

আমরা ইতিহাস থেকে বুঝতে পারলাম বর্তমানের এই সঙ্কট সৃষ্টির পেছনে প্রধানত আমরা অর্থাৎ মুসলিমরা নিজেরাই দায়ী। কাজেই এই সঙ্কট থেকে পরিত্রাণের জন্য আমাদেরকে এখন ভাবতে হবে। আমাদেরকে বুঝতে হবে দুর্বলের উপর অন্যায়কারীরা অত্যাচার চালাবেই, আর একটা জাতি দুর্বল হয় অনৈক্য থেকে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে বলেছেন, আর তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো। তোমরা পরস্পরে ঝগড়া করো না, তাহলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং তোমাদের প্রভাব প্রতিপত্তি দূর হয়ে যাবে (সুরা আনফাল ৪৬)।
মুসলিম জাতিও চরম দুর্বল হয়েছে তাদের মধ্যকার বিভেদ, বিভাজনের কারণে। জনশক্তি, খনিজ সম্পদ, বিরাট ভূখণ্ড, অসংখ্য সমুদ্র বন্দর, সমুদ্র পথ, পণ্ডিত, আলেম-ওলামা, লেখক-সাহিত্যিক, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি কোনো কিছুর অভাব নেই এই মুসলিম জাতির, কেবল এক শক্তিশালী আদর্শের অভাব যার ভিত্তি হলো তওহীদ। এই জাতির মধ্যে ঐক্য না থাকার কারণে পৃথিবীর নানা প্রান্তে তারা নির্যাতিত হচ্ছে। এখন মুসলিম জাতির সর্বপ্রথম কর্তব্য হলো তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়গুলোকে পেছনে রেখে আগে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। রসুলাল্লাহ (সা.) যেমন কলেমা তওহীদের উপর অর্থাৎ আল্লাহর হুকুম তথা যাবতীয় ন্যায়ের উপর ভিত্তি করে একটি জাতি গঠন করলেন এবং ন্যায়ভিত্তিক একটি সমাজ গড়ে তুললেন সেভাবে এক আল্লাহর হুকুমের উপর মুসলিমদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। জাতি যখন ঐক্যবদ্ধ হবে তখন তারা হবে বিরাট শক্তি। অন্যান্য জাতিগুলো এমনিতেই অত্যাচার বন্ধ করে দিবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
৫ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
৪ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
৩ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
২ মে ২০২৬ ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
১ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
১ মে ২০২৬ ঢাকা

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থী বহনকারী সিএনজির সঙ্গে ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন পরিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি…
২৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ