অভিবাসন ইস্যুতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলো নিয়ে একটি জোট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ইতালি ও গ্রিস। আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে চায় জোটটি।
গত ৩১ আগস্ট দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জা মেলোনি ও গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস। ওই বৈঠক থেকেই এসব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। বৈঠকের পর একটি নৈশভোজেও অংশ নিয়েছেন দেশ দুটির শীর্ষ দুই নেতা।
অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও বেশি মনোযোগী হবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন ইতালি ও গ্রিস সরকারপ্রধানেরা।
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন

ইতালি অথবা গ্রিস পৌঁছাতে গিয়ে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ফলে ওই বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে হয়েছে দুই দেশের সরকারপ্রধানকে। বিশেষ করে ইতালির কুত্রো ও গ্রিসের পাইলোসে নৌকাডুবির ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সেন্ট্রাল ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় রুট ধরে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ইউরোপমুখী যাত্রা করেন। প্রতিনিয়ত সেই রুটে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। অভিবাসনপ্রবাহ এবং এর জন্য দায়ী কারণগুলোকে চিহ্নিত করে তা মোকাবিলায় আফ্রিকান দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির ওপর জোর দেওয়ার কথা ভাবছে ইতালি ও গ্রিস। এজন্য, দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে চান তারা।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি নতুন অভিবাসন এবং আশ্রয় চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং স্থানান্তর ব্যবস্থা সম্পূর্ণ কার্যকর করার আগে অভিবাসন সংকটকে সমন্বিত পদ্ধতিতে পরিচালনায় তারা অনুরোধও জানিয়েছেন।


















