নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার পোরকরা গ্রামে হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমামের বাড়ির প্রাঙ্গনে নির্মিত হয়েছে শহীদী জামে মসজিদ। এই মসজিদ নির্মাণকালে ২০১৬ সালে ধর্মব্যবসায়ী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন হেযবুত তওহীদ সদস্য সোলায়মান খোকন ও ইব্রাহীম খলিল রুবেল। তখন গুজব রটানো হয়েছিল যে, এটি মসজিদ নয়, গির্জা নির্মিত হচ্ছে।
অবশেষে বহু চড়াই উতরাই পেরিয়ে হেযবুত তওহীদের সদস্যদের ত্যাগ, কুরবানি ও নিরলস সংগ্রামের ফলে সেই মসজিদটি মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীদের মিথ্যা অপবাদ প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। জনগণ প্রতি জুমায় এই শহীদী জামে মসজিদে একত্রিত হন আল্লাহর বিধান মোতাবেক জুমার সালাত আদায়ের উদ্দেশে।
গত ২৭ অক্টোবর তারিখে যথারীতি শহীদী জামে মসজিদে জুমার সালাহ অনুষ্ঠিত হলো। সকাল থেকেই জুমার সালাতকে কেন্দ্র করে নানামুখী প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। এগারোটার পর থেকেই মুসল্লিরা জুমায় আসতে থাকেন। জুমার খুতবাসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা ও সালাত আদায় ছাড়াও হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম তাঁর মুসল্লিদের কারো কোনো সমস্যা আছে কিনা, কারো খাদ্যের কষ্ট আছে কিনা, চিকিৎসার অভাবে কেউ কষ্ট পাচ্ছে কিনা, কারো বাসস্থানের সঙ্কট হয়েছে কিনা ইত্যাদি নানান বিষয়ে খোঁজ খবর গ্রহণ করেন।
মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

এসময় জুমাকে কেন্দ্র করে পুরো মসজিদটি ধর্মীয় ভাবাবেগে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
বি.দ্র: নিচতলায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় নারীরা দ্বিতীয় তলায় সালাতে অংশগ্রহণ করেন।



















