প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সে যুগে মাদ্রাসা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের...

সে যুগে মাদ্রাসা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুরূপ

১৩ মে ২০২৪ ১১:২৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বর্তমানে মাদ্রাসা বলতে আমরা ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুঝে থাকি। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার নীতি মান্য করে ধর্ম এখন আমাদের জীবনের একটি ব্যক্তিগত পালনীয় বিষয়। রাষ্ট্রের পরিচালনা পদ্ধতিতে ধর্মের কোনো বিধি-বিধান বা নৈতিকতার প্রভাব থাকা কাম্য নয়। আমরা মুসলমানেরা ব্রিটিশদের পদানত হওয়ার আগে রাষ্ট্রীয় জীবন অনেকাংশে ইসলামের নীতি-আদর্শ দ্বারাই পরিচালিত হত। তখন ধর্ম কেবল ব্যক্তিগত বিষয় ছিল না, ধর্মের আইন-কানুন, অর্থনীতি, দণ্ডবিধি, দর্শন ইত্যাদি রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহৃত হত। তাই সে সময় মাদ্রাসাগুলোতে কেবল ইসলামের জাতীয়-রাষ্ট্রীয় বিষয়গুলো শিক্ষা দেওয়া হত। শিক্ষার্থীরা ইসলামের আইনশাস্ত্রের (ফিকাহ) জ্ঞান লাভ করে আদালতে সেই জ্ঞানকে প্রয়োগ করতে পারতেন। ঠিক এখন যেভাবে আমাদের শিক্ষার্থীরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রিটিশদের তৈরি আইন ও দণ্ডবিধি অধ্যয়ন করে উকিল, ব্যরিস্টার, জজ-ম্যাজিস্ট্রেট তৈরি হয়। পার্থক্য হল, আগে পড়ানো হত ইসলামের আইন, এখন পড়ানো হয় ব্রিটিশের আইন।

মাদ্রাসা শব্দটির অর্থ কিন্তু ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়। মাদ্রাসা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ ‘র্দাসুন’ থেকে যার অর্থ ‘পাঠ’। সুতরাং মাদ্রাসা অর্থ পাঠশালা। প্রায় ১,০০০ বছর ধরে তদানীন্তন অর্ধ-পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত মুসলিম বিশ্বে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে অন্তত ৬০টি প্রধান শিক্ষাকেন্দ্র ছিল। এগুলোর মধ্যে প্রাচ্যে বাগদাদ এবং পশ্চিমে কর্ডোবা ছিল সবচেয়ে প্রসিদ্ধ। এই শহরগুলোতে যে শিক্ষাকেন্দ্রগুলো ছিল সেগুলোকে মাদ্রাসাই বলা হত। আব্বাসী খলিফা আল মুনতানসির বিল্লাহ (শাসনকাল ১২২৬-১২৪২) বাগদাদে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন যার নাম ‘আল-মাদ্রাসা আল-মুনতানসিরিয়া’। এই মাদ্রাসাটির কারুকার্যময় ভবন ও চত্ত্বর এত যুদ্ধ হামলার মাঝেও ইসলামের স্বর্ণযুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

অষ্টম শতাব্দী থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বের শাসকশ্রেণি, আমির-উমরাহ, উজির-নাজির, প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ তাদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য সুপরিচিত পণ্ডিতদের গৃহশিক্ষক হিসাবে নিয়োগ করতেন। এই গৃহ শিক্ষকগণ ছাত্রদের মূলত আরবি, সাহিত্য, ধর্ম, গণিত এবং দর্শন শেখাতেন। আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল মসজিদ কেন্দ্রিক মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসাগুলোতে প্রধানত ফিকাহ বা ইসলামের আইনশাস্ত্র (Islamic jurisprudence) অধ্যয়ন করা হতো। পাশাপাশি ধর্মতত্ত্ব, চিকিৎসা ও গণিতের মতো বিষয়গুলো নিয়েও সেখানে শিক্ষাদান ও গবেষণা করা হতো। মাদ্রাসা কমপ্লেক্সগুলো সাধারণত একটি মসজিদ, বোর্ডিং এবং একটি গ্রন্থাগার নিয়ে গঠিত হত। রাষ্ট্র অথবা অবস্থাসম্পন্ন ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতায় এসব মাদ্রাসার নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, অধ্যাপকদের বেতন, ছাত্রদের উপবৃত্তি ইত্যাদি ব্যয় বহন করা হতো। তবে এই মাদ্রাসাগুলোতে আধুনিক কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মত মানসম্মত পাঠ্যক্রম বা সনদ প্রদানের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার অভাব ছিল।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

তবে মরক্কোতে ৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে ফাতিমা আল ফিহরি নামে একজন বিদুষী নারী নিজের অর্থে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমানে জামিয়াত-আল-কারাউইন (University of al-Qarawiyyin) নামে পরিচিত। জামিয়া শব্দের অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়। এই মাদ্রাসা থেকে শিক্ষার্থীদেরকে চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের অন্যান্য শাখায় ডিগ্রি বা সনদ প্রদান করা হতো। এই সনদকে বলা হত ‘ইজাযাহ’। হরিণের চামড়া দিয়ে তৈরি পার্চমেন্টে এই প্রশংসাপত্র লিখা হত। শহরের একজন বড় চিকিৎসক এবং প্রধান বিচারপতির (কাজিউল কোজ্জাত) হাত দিয়ে এই সনদ শিক্ষার্থীদেরকে প্রদান করা হতো। বিশ্বের প্রাচীনতম ডিগ্রি প্রদানকারী বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গিনেস বুক অফ রেকর্ডসে ও ইউনেস্কোর রেকর্ডে এর নাম তালিকাভুক্ত হয়েছে।

অষ্টম শতাব্দিতে নির্মিত ইসলামের ইতিহাসে প্রথম সাড়া জাগানো ও প্রভাবশালী জ্ঞানচর্চাকেন্দ্র বায়তুল হিকমা (House of wisdom)। অনুবাদকেন্দ্র হিসেবে এর যাত্রা শুরু হলেও ক্রমেই তা গবেষণাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মানমন্দিরে পরিণত হয়েছিল। আব্বাসীয় খলিফা হারুন-অর-রশিদ (শাসনকাল ৭৮৬-৮০৯ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁর রাজধানী বাগদাদে এটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর পুত্র খলিফা আল-মামুন ৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে সেটির পূর্ণতা দান করেন। সিরিয়ান খ্রিষ্টান হুনায়ন ইবনে ইসহাককে বায়তুল হিকমার মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন ধর্মের, বিভিন্ন জাতির পণ্ডিতদের সম্মেলন ঘটেছিল এই প্রতিষ্ঠানে। এ প্রতিষ্ঠানটি গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, আলকেমি, প্রাণীবিদ্যা, ভূগোল ও মানচিত্রাঙ্কনবিদ্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞানচর্চার অপ্রতিদ্বন্দ্বী স্থান হয়ে উঠে। ভারতীয়, গ্রীক ও পারসিয়ান রচনা ব্যবহার করে পণ্ডিতরা বৈশ্বিক জ্ঞানের বিরাট ভাণ্ডার অর্জন করেন এবং এর মাধ্যমে তাদের নিজেদের আবিষ্কারের দিকে এগিয়ে যান। নবম শতকের মধ্যভাগে বাইতুল হিকমাহ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ গ্রন্থভাণ্ডার। মোঙ্গলদের বাগদাদ অবরোধের সময় শহরের পতন হলে দীর্ঘ ৫০০ বছরের বেশি সময় ধরে জ্ঞানবিজ্ঞানের সোনালি ধারা বজায়ের আলোকবর্তিকা বায়তুল হিকমাহও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। কথিত রয়েছে, হত্যাকাণ্ড চলার সময় যদিও পারস্য মনীষী নাসিরুদ্দিন তুসি ৪০ হাজার গ্রন্থ অনত্র সরিয়ে নেন, তবু এত বিপুল পরিমাণ বই ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় যে বইয়ের কালিতে আব্বাসীয় প্রাসাদসংলগ্ন টাইগ্রিস নদীর পানি কালো হয়ে যায়।

অষ্টাদশ শতাব্দি থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগ ধরা হয়। এ সময় মুসলিম বিজ্ঞানীরা বিশ্বসভ্যতাকে উপহার দিয়েছে অগণিত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। ভূগোলবিদ, দার্শনিক, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ আল খাওয়ারিজমি (Algorism), পদার্থবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, ভূগোলবিদ, হাফিজ, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, কবি, ইসলামী চিন্তাবিদ ও মনোবিজ্ঞানী ইবনে সিনা (Avicenna), জ্যোতির্বিদ, সংগীতজ্ঞ, পদার্থবিজ্ঞানী, চিকিৎসক, উদ্ভিদবিজ্ঞানী, কবি ও দার্শনিক ইবনে বাজ্জাহ (আবসঢ়ধপব), জ্যোতির্বিদ আল ফারগানি (Alfraganus), পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অংকনকারী আল ইদ্রিসি (Dreses), কোর’আন, হাদিস, ফিকাহ, ইতিহাস, দর্শন, ভাষাতত্ত্ব, রাজনীতি, গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা প্রভৃতি বিষয়ের বিশারদ আল কিন্দি (Alkindus), জ্যোতির্বিদ আল বাত্তানি, পদার্থবিদ, রসায়নবিদ, দার্শনিক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী আল রাজিসহ অগণিত বিশ্ববরেণ্য শিক্ষক মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন মাদ্রাসায় গবেষণা ও শিক্ষকতা করেছেন। তাঁদের লেখা অমূল্য গ্রন্থাবলী সব মাদ্রাসাগুলোতে কপি করে পড়ানো হতো। যেমন ইবনে সিনা তাঁর সমগ্র জীবনে ৪৫০টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যার মধ্যে ১৫০টি দর্শনশাস্ত্র বিষয়ক এবং ৪০টি চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক রচনাসহ মোট ২৪০টি গ্রন্থ বর্তমানে টিকে রয়েছে। তাঁর লেখা কানুন ফিত তীব (The Canon of Medicine) বহু শতাব্দী ধরে ইউরেশিয়া জুড়ে মেডিক্যাল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।

অগণিত মুসলিম শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, ইতিহাসবিদ, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, কবি-সাহিত্যিকদের মাধ্যমে মুসলিম সভ্যতা তখন জ্ঞানের আকাশে সূর্যের মত প্রভা বিস্তার করছিল। তাঁদের নীরব অনুপ্রেরণাই পশ্চিমা দেশগুলোকে ক্রুসেড-পরবর্তী যুগে শিক্ষা ও জ্ঞানের জগতে রেনেসাঁ সৃষ্টিতে সক্ষম করেছিল। সেই জ্ঞানকেন্দ্রগুলোর নামও ছিল মাদ্রাসা, আজকেও আমাদের পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অগণিত মাদ্রাসা। সেই মাদ্রাসার সাথে আজকের মাদ্রাসার আসমান জমিন তফাৎ। আজকের মাদ্রাসাগুলোতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা ও গবেষণা নেই। কারণ তাদের কাছে মাসলা-মাসায়েলের জ্ঞানই হচ্ছে আসল জ্ঞান (ইলম), এর বাইরে কোনো প্রকার জ্ঞানচর্চাকে তারা দুনিয়াবি জ্ঞান বলে তাচ্ছিল্য করেন। তাই মক্তব থেকে শুরু করে দাওরা পাশ করা পর্যন্ত তারা কেবল ওজুর মাস’আলা, হায়েজ নেফাসের মাস’আলা, রোজা ভঙ্গের মাস’আলাই শিখতে থাকেন। ফতোয়া জ্ঞানের বাইরে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তাই এসব মাদ্রাসা থেকে পাস করে কেউ জ্যোতির্বিদ, ভূগোলবিদ, রসায়নবিদ, পদার্থবিদ হয় না। তাদের ধর্মীয় জ্ঞানকে পুঁজি করে উপার্জন করা অর্থাৎ ধর্মব্যবসা ছাড়া আর কোনো উপায়ে জীবিকা হাসিলের যোগ্যতা তৈরি হয় না। প্রতিবছর হাজার হাজার নতুন ‘আলেম’ এসব মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে বেকারত্বের হতাশায় ভুগছেন অথবা ধনীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন নতুন আরেকটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে দেওয়ার জন্য।

মুসলিম সভ্যতার সোনালী যুগে যে মাদ্রাসাগুলো সমগ্র বিশ্বে জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছে, সেই মাদ্রাসা আজ আর নেই। মুসলিম জাতির গবেষণালব্ধ জ্ঞান বহিঃশত্রুর আক্রমণে অধিকাংশই লুপ্ত হয়ে গেছে, আর কিছু অংশ পাশ্চাত্যে হস্তান্তরিত হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব সেইসব গবেষণাকে আরো অগ্রসর করে গড়ে তুলেছে বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর বিরাট এক বস্তুবাদী সভ্যতার ইমারত। মুসলিম বিশ্ব তাদের সামনে পদানত, হীনম্মন্যতায় আপ্লুত, লাঞ্ছিত, পরাজিত, রক্তাক্ত। লক্ষ লক্ষ মসজিদ আছে, মাদ্রাসা আছে। কিন্তু গৌরব করার মত কিছুই অবশিষ্ট নেই। গৌরব যা আছে সবই অতীত, আর সেই অতীত সম্পর্কেও রয়েছে এই জাতির সীমাহীন অজ্ঞতা। যদি এ জাতিকে আবার জাগতে হয়, তাহলে নিজেদের ইতিহাসের সঠিক পর্যালোচনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিকল্প নেই।

[লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৫৭১৫৮১]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ঈদের ছুটিতেও ঢাকার রাস্তায় সচল এআই ক্যামেরা, বেপরোয়া চললে গুনতে হবে জরিমানা

ঈদের ছুটিতেও ঢাকার রাস্তায় সচল এআই ক্যামেরা, বেপরোয়া চললে গুনতে হবে জরিমানা
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা হতে শুরু করেছে ঢাকার প্রধান সড়কগুলো। বছরের এই সময়গুলোতে ফাঁকা সড়ক পেয়ে অনেকেই বেশি গতিতে গাড়ি চালান। তবে এবার সেখানে সাবধান হতে…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট
রাজধানী ঢাকা থেকে ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার অংশ জুড়ে দেখা দিয়েছে যানজট। সন্ধ্যার পর থেকেই এ পথে বাড়তে থাকে…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা

দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের মুসলমানদের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ত্যাগ, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির বার্তাকে সামনে রেখে তিনি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা
গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল।…
 ২৪ মে ২০২৬    জাতীয়

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে হেযবুত তওহীদের এক সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটির গাজীপুর জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১২…
 ১২ মে ২০২৬    জাতীয়
পারমাণবিক উত্তেজনা কমাতে মস্কোর বিশেষ উদ্যোগ

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা…
 ১০ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
 ৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
 ৪ মে ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
 ৩ মে ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
 ২ মে ২০২৬    ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
 ২ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
 ২ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
 ২ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
 ১ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
 ১ মে ২০২৬    ঢাকা