আগ্রাসনের মুখে মুসলিম বিশ্ব: ঐক্যবদ্ধ হওয়াই বাঁচার একমাত্র পথ

২২ মার্চ ২০২৬ ০৪:৫৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
বর্তমানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩১ শতাংশ মুসলিম, যার সংখ্যা প্রায় ২২০ কোটি। মুসলিমরা বর্তমানে ভৌগোলিকভাবে মোট ৫৭টি জাতিরাষ্ট্রে বিভক্ত। এই দেশগুলোর মোট আয়তন প্রায় ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার, যা পৃথিবীর মোট ভূখণ্ডের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে বিস্তৃত। যে জ্বালানি ছাড়া বর্তমান যান্ত্রিক সভ্যতার চাকা অচল- সেই পেট্রোলিয়াম ও গ্যাসের প্রায় ৬৩ শতাংশ এবং পারমাণবিক শক্তির গুরুত্বপূর্ণ উৎস ইউরেনিয়ামের প্রায় ৫৩ শতাংশ মজুদ রয়েছে মুসলিম দেশগুলোতে। এই মুসলিম দেশগুলোর সামরিক ও রিজার্ভ বাহিনীর সৈন্যসংখ্যাই ১.৫ কোটির বেশি। বিশ্বের প্রথম পাঁচটি অস্ত্র আমদানিকারক দেশের মধ্যে তিনটি মুসলিম দেশ – সৌদি আরব, কাতার ও পাকিস্তান।

প্রশ্ন হলো, এত বিপুল জনসংখ্যা, এত প্রাকৃতিক সম্পদ, এত সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও কেন আমরা এত দুর্বল, কেন এত অসহায়? কেন আমাদেরকে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কিনতে আমেরিকার কাছে অনুমতি নিতে হয়? আমাদের কি তেলের অভাব ছিল? আরব রাষ্ট্রগুলোর মাটির নিচে থাকা তেল পাচার হয়ে যাচ্ছে পশ্চিমা প্রভুদের কাছে। ওদিকে ইরানের তেলের ডিপোগুলো আগুনে জ্বলছে সেই প্রভুদেরই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায়। কেন ২২ টি আরব দেশের কেন্দ্রে অবস্থিত ফিলিস্তিনে আশি বছর থেকে মুসলমানের রক্তে হোলি খেলছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল ও তার দোসর আমেরিকা? কীভাবে একের পর এক দেশ হামলা করে দেশের শাসকদেরকে সপরিবারে হত্যা করছে, হত্যা করছে লক্ষ লক্ষ বেসামরিক মানুষ, অসহায় নারী ও নিরপরাধ শিশুদেরকে? আমাদের পাশের দেশ মায়ানমার থেকে বৌদ্ধ রাখাইনরা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমানকে হত্যা করে দেশ থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে, নারীদেরকে গণধর্ষণ করেছে। আজ ২২ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে মানবতের জীবনযাপন করছে।

অনৈক্য: মুসলিম বিশ্বের প্রধান দুর্বলতা
আমরা মুসলিমরা নিজেদের শ্রেষ্ঠ জাতি (সুরা ইমরান ১১০) বলে গৌরব করি, তাহলে কেন আমাদের এই দুর্দশা? এক কথায় এর উত্তর হচ্ছে, আমাদের অনৈক্য। যদি মুসলিম বিশ্ব ৫৭ টি রাষ্ট্রে বিভক্ত না হয়ে এক রাষ্ট্র হতো তাহলে আমাদের সমস্ত শক্তি ও সম্পদকে নিজেদের জাতীয় রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা যেত। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় সেটা একেবারেই কল্পনাতীত। আমরা আজকে কেউ বাংলাদেশী, কেউ পাকিস্তানী, কেউ সুদানী, কেউ মিশরীয়। আমরা ভিন্ন ভিন্ন দেশের নাগরিক, ভিন্ন ভিন্ন জাতীয়তায় বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিন আক্রান্ত হলেও আমাদের কোনো উপায় থাকে না তাদের পাশে দাঁড়ানোর, কারণ প্রতিটি দেশ কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা। আছে নানা আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি ইত্যাদি। মুসলিম ভাইদের দুর্দশা দেখে তাই দেশের মধ্যেই মিছিল বিক্ষোভ করা ছাড়া আর কিছুই আমাদের করার নেই। উপরন্তু মুসলিম দেশগুলোই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত। ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের উপর হামলা করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে। এছাড়া উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরাকের বিরুদ্ধে কুয়েত, সৌদি আরবসহ বহু মুসলিম দেশ আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হয়ে সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

কেবল ভৌগোলিক বিভক্তি নয়, আমরা নামে মুসলিম হলেও আমাদের মধ্যে ধর্মীয় বিভক্তির কোনো ইয়ত্তা নেই। আমরা কেউ শিয়া, কেউ সুন্নী, কেউ হানাফি, কেউ হাম্বলি। আমরা কেউ তরিকতপন্থী, কেউ সুফিবাদী। ধর্মীয় আকিদাগত বিভক্তির তালিকার কোনো শেষ নেই। ইসলাম নিয়ে আমাদের দেশে যারা রাজনীতি করে তারাও বহুধাবিভক্ত। গত নির্বাচনে তারা জোটবদ্ধ হয়েও শেষে আসন ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব করে জোট ভেঙে ফেলেছে। আমাদের আলেম ওলামারা কোন আমলে কত সওয়াব তা নিয়ে বয়ান করেন কিন্তু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার বয়ান করেন না। যখন ইরানে আগ্রাসন হয়, তখন তারা অনেকেই বলেন শিয়ারা কাফের। একইভাবে যখন সুন্নী সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরাকে-আফগানে হামলা হয়, ইরান মুখ ফিরিয়ে থাকে।

ঐক্যবদ্ধ হওয়া আল্লাহর হুকুম
কিন্তু আল্লাহ তো বলেছেন তোমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রজ্জুকে ধারণ করো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্্ন হয়ো না (সুরা ইমরান ১০৩)। নামাজ রোজা যদি ফরজ হয় তাহলে ঐক্যবদ্ধ হওয়াও তো ফরজ। সে কথাটি কেউ বলছেন না। আল্লাহ বলেছেন, তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য কর এবং নিজেদের মধ্যে বিবাদ করো না; করলে তোমরা সাহস হারিয়ে ফেলবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হবে (সুরা আনফাল ৪৬)। আর আল্লাহর রসুল বলেছেন, সমগ্র মুসলিম একটি দেহের ন্যায়, যেমন দেহের এক অঙ্গে আঘাত পেলে সমগ্র দেহই পীড়িত হয় (নুমান বিন বশির রা. থেকে বোখারি, মুসলিম)। বিদায় হজ্বের ভাষণেও তিনি মুসলমানদের উদ্দেশে বলেন- প্রত্যেক মুসলমান অন্য মুসলমানের ভাই। তাই কোনো মুসলমানের জন্য তার ভাইয়ের সম্পদ বৈধ নয়, যদি না সে স্বেচ্ছায় তা দেয়। তোমাদের রক্ত, তোমাদের সম্পদ এবং তোমাদের সম্মান- এই দিন, এই মাস ও এই শহরের মতোই পবিত্র, হারাম।

মুসলিম বিশ্বের বর্তমান দুরবস্থা
আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ ফিলিপাইন পর্যন্ত, উত্তরে মধ্য এশিয়ার বিশাল তৃণভূমি অঞ্চল কাজাকিস্তান থেকে ভারত মহাসাগরের মালদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল ভূখণ্ড জুড়ে ২২০ কোটি মুসলিম এক মরা লাশের মতো পড়ে আছে। আর যে যেভাবে পারছে তাকে লাথি মারছে, পিটাচ্ছে। আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো মুসলিমদেরকে মারার জন্য একে অপরকে ডেকে আনছে। ৩২ টি পশ্চিমা দেশ মিলে ন্যাটো (Nato) নামে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট করেছে যার মূল নীতিই হলো- একজনের উপর আক্রমণ মানেই সবার উপর আক্রমণ। ৯/১১-এর পর আমরা এই নীতির বাস্তবায়ন স্পষ্টভাবে দেখেছি। অথচ মুসলিম বিশ্বের ৫৭টি দেশের মধ্যে কোনো সামরিক জোট গড়ে তোলা যায়নি। মুসলিম বিশ্বের বড় দুটো সংগঠন ওআইসি ও আরবলীগ। দুটো সংস্থাই মূলত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য গঠিত। এদের কোনো সামরিক উদ্দেশ্য নেই। যখন কোনো মুসলিম দেশ আক্রান্ত হয়, এই সংস্থাগুলো শুধু বৈঠক করে, নিন্দা প্রস্তাব পাস করে- কোনো কার্যকর সামরিক পদক্ষেপ বা অর্থনৈতিক সহযোগিতা দেয় না। অনেক সময় প্রতিবেশী মুসলিম দেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদেরকেও আশ্রয় দেয় না, বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান ইত্যাদি আরব উপসাগরীয় দেশগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো শরণার্থীকেই জায়গা দেয় না। উল্টো এদের অস্ত্রশস্ত্র মুসলিমদেরই বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয় যেমন ইয়েমেন যুদ্ধে সৌদি আরবের ভূমিকা। তাদের নেতৃত্বেই ৯/১০ টি আরব দেশ কোয়ালিশন করে ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে চলমান এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ হামলা ও দুর্ভিক্ষ, অপুষ্টি, রোগ ও চিকিৎসার অভাব ৪ লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

মুক্তির পথ কী?
মুসলিম বিশ্বের এই লজ্জাজনক ও করুণ পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য সাধারণ মানুষ এখন পথ খুঁজছে। হ্যাঁ, পথ আছে – চূড়ান্ত ধ্বংস থেকে বাঁচার একমাত্র পথ হলো ঐক্যবদ্ধ হওয়া। আর এই ঐক্যের সূত্র বা মূল ভিত্তি হতে হবে একমাত্র তওহীদ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ যার অর্থ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই। আমাদেরকে জীবনের সর্ব অঙ্গনে কেবলমাত্র আল্লাহকেই একমাত্র বিধানদাতা ও প্রভু হিসাবে গ্রহণ করতে হবে। পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর দাসত্ব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমাদেরকে একজন নেতার নেতৃত্বে, একটি আদর্শ বুকে নিয়ে, এক কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই ঐক্য শেখানোর জন্যই আমাদেরকে আল্লাহ কাবাকে করেছেন ঐক্যের প্রতীক। কথা ছিল প্রতি বছর একবার কাবা প্রাঙ্গণে গিয়ে আমরা মিলিত হবো, আমাদের যাবতীয় সংকট সমাধানের জন্য আলোচনা করবে। সেই কাবাতে আমরা হজ করতে যাই ঠিকই, আমাদের সকল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা মানবিক সংকটের সমাধানের জন্য যাই জাতিসংঘ, যাই লন্ডন, ওয়াশিংটন বা মস্কো।

আমরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনযাপন পদ্ধতিকে শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি হিসেবে বিশ্বাস করছি এবং তাদের গণতন্ত্র, পুঁজিবাদ, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্যবাদের পূজা করছি। আমরা উপাসনা করি আল্লাহর, কিন্তু আমাদের হুকুমদাতা (ইলাহ), প্রভু (রব) ও শাসক (মালিক) হলো পশ্চিমা পরাশক্তিধর রাষ্ট্রগুলো। আমাদেরকে এখন বাঁচতে হলে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম মানবো না। জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোর’আনের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিধান আমরা মানবো না। এটাই হলো তওহীদ, এটাই আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, এটাই দীনুল ইসলামের ভিত্তি। আমাদেরকে এখন সকল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আদর্শগত বিভাজন, ভৌগোলিক জাতিগত বিভাজন, ফেরকা-মাজহাব-তরিকাগত বিভক্তি এবং সকল মাসলা-মাসায়েলগত মতভেদকে ত্যাগ করে, একমাত্র তওহীদের ভিত্তিতে দৃঢ়পদ হয়ে এক উম্মাহ হিসাবে দাঁড়াতে হবে।

[লেখক: রিয়াদুল হাসান, সাংবাদিক ও কলামিস্ট; ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৬১৭-৩২৯৩৯২]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
৫ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
৪ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
৩ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
২ মে ২০২৬ ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
১ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
১ মে ২০২৬ ঢাকা

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থী বহনকারী সিএনজির সঙ্গে ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন পরিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি…
২৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ