রাজনৈতিক বিশ্লেষণ: গণতন্ত্রের পিচ্ছিল বাঁশ বেয়ে আমাদের অগ্রগতি

২৫ মে ২০১৫ ১১:২২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:

কখনও তথাকথিত গণতান্ত্রিক সিস্টেমের ধারবাহিকতা রক্ষায় আবার কখনও সংবিধানের বাধ্য-বাধকতায় গত কয়েক দশক ধোরে আমাদের দেশে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চোলছে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, নির্বাচন সরকারের জন্য বিরাট ব্যয়বহুল একটি কর্মকাণ্ড। গণতান্ত্রিক দেশগুলিতে এটাই নিয়ম। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলে অঢেল অর্থব্যয়। বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়- সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বাবদ রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাবদ নির্ধারিত ছিল ৫০০ কোটি টাকা। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৩ জন সাংসদ বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় প্রায় অর্ধেক খরচ লাঘব হয়। জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে বেঁচে যাওয়া অর্থসহ নির্বাচন কমিশন তাদের হাতে থাকা সম্পূর্ণ অর্থই উপজেলা নির্বাচনে ব্যয় করার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে গত তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তুলনায় এবারের চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে বহুগুণ বেশি। নির্বাচনের অনুষঙ্গ হিসাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির পেছনে ভর্তুকী পূর্বের তুলনায় দ্বিগুণ, ক্ষেত্রবিশেষে বহুগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি প্রার্থীর নিজস্ব প্রচার প্রচারণার জন্য ব্যয়কৃত কোটি কোটি টাকা হিসাবের মধ্যে আনলে দেখা যাবে একেকটি নির্বাচনের পেছনে আমরা পাহাড় পরিমাণ অর্থ ব্যয় কোরছি যা আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশের জন্য বড়ই করুণ পরিসংখ্যান।
কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন এই নির্বাচন প্রক্রিয়া, কেন এই বেসুমার অর্থব্যয়? জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করার জন্য রাষ্ট্রের ক্ষুদ্র অর্থনীতির প্রতি এত বড় বোঝা চাপানো কতটা অপরিহার্য? জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের কি আর কোন পন্থা নেই? হৃদয়ের গভীরে অনেকেই হয়তো চিন্তা করেন যে, যে দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের তিনবেলা অন্ন সংস্থান নেই, মাথা গুঁজবার ঠাঁই নেই সে দেশে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য এই বিপুল অর্থব্যয় কি মানানসই? অন্য কোন পদ্ধতি কি নেই? থাকলে সেটা কোনটা? অথবা নির্বাচন কোরেই কি সাধারণ মানুষের ভাগ্যে, জীবনযাত্রায় কোন পরিবর্তন আসছে? অনেকেই হয়তো বোঝেন যে এতে দেশের ক্ষতি, মানুষের কোন কাজে আসে না এই বিপুল অর্থ তবু চুপ থাকেন তাদের সামনে অন্য কোন বিকল্প না থাকায়, বা এই ব্যবস্থার পরিবর্তন তাদের আওতার বাইরে। কিন্তু যারা সত্যিই দেশপ্রেমিক, জাতির ভালো চান তাদের এই সিস্টেমের বিকল্প নেতা নির্বাচনের পদ্ধতি অনুসন্ধান করা উচিৎ।
ব্রিটিশরা দীর্ঘ দুই শতাব্দী আমাদেরকে শাসন-শোষণ করার পর যখন আপাত স্বাধীনতা দিয়ে চলে গেল তখন ঘাড়ে চাপিয়ে দিল গণতন্ত্র নামক একটি সিস্টেম। তারা নিজেরা চালিয়েছে জুলুমের শাসন, নিজেরা আজও মেনে চোলছে রাজতন্ত্র অথচ আমাদের বেলায় কেন তারা গণতন্ত্রকে পছন্দ কোরল তা আমাদের অবশ্যই ভাববার বিষয়। ১৯৪৭ সনে যাদের হাতে তারা পাকভারতকে ভাগ কোরে রাষ্ট্রক্ষমতা দিয়ে যায় তাদের অধিকাংশই ছিলেন ব্রিটিশদের শিক্ষায় শিক্ষিত, ব্রিটিশদের প্রতি হীনম্মন্যতায় আপ্লুত, ব্রিটিশদের অন্ধ অনুকরণকারী। সুতরাং ইংরেজরা যা দিয়েছে আমাদের তদানীন্তন নেতৃত্ব সেটাই নিজেদের জন্য মঙ্গলজনক মনে কোরেছেন, তারা সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন, আগে দেশটা স্বাধীন হোক, আগে ইংরেজ বিদায় হোক। তারপরে প্রায় সত্তর বছর পার হোয়ে গেছে, এই দীর্ঘ সময়ে গণতন্ত্রের প্রচার প্রচারণায় মুগ্ধ হোয়ে আজ আমরা সেই গণতন্ত্রকেই সর্বান্তকরণে গ্রহণ কোরে নিয়েছি। এটা এখন আমাদের ‘ঈমানে’ পরিণত হোয়েছে যে, গণতন্ত্র ছাড়া এ পৃথিবীতে চলা যাবে না। আমাদের দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া আমলাদের হাতে, তাদের আমলাতন্ত্রের ভারে আমাদের দেশ আজ ন্যূব্জ। দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হোচ্ছে অনুৎপাদনশীল আমলাদের হাত দিয়ে যা প্রতি পদে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে কোরছে মন্থর, পশ্চাদমুখী। সরকারের যে কোন জনহিতকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব হলো আমলাদের, অথচ দেখা যায় তাদেরই সৃষ্ট জটিলতার কারণে তা বাস্তবায়ন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। রাষ্ট্র হয়ে পড়ে স্থবির। বস্তুত আমলাদের কাছে থেকে জাতি উপকার বোলতে কিছুই পায় নি। দুর্নীতিসহ অন্যান্য কারণে দেশের সরকার একের পর এক বদল হলেও দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক এই আমলারা আছেন যে যার জায়গাতেই। এর যথার্থ কারণও আছে। আমলারা ন্যায়-অন্যায় বা জনগণের স্বার্থ-অস্বার্থের আগে বিবেচনায় আনেন কীভাবে তাদের মাথার উপরে থাকা সরকারের মন জয় করা যায় সেটাকে। যখন যেই দল ক্ষমতায় থাকে তখন সেই দলের তোষামোদ করাই হলো তাদের নিত্য-নৈমিত্তিক কাজ। তারা যে কোন উপায়ে সরকারের খরচ বৃদ্ধি করার পক্ষে। আমলাদের বড় বড় অনেকের কার্যক্রম বার বার প্রমাণ করেছে যে, তারা এদেশের মাটিতে থাকতে চান না। বিদেশের আলো-বাতাসের প্রতি তাদের রয়েছে দুর্নিবার আকর্ষণ। তারা বিদেশের বোতলের পানি খান, বিদেশেই ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া করান। অথচ অপরদিকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহে তাদের অবস্থান। এসব বিবেচনা কোরলে এই মাথাভারি আমলাতান্ত্রিক সিস্টেম আমাদের কতটুকু দরকার তা ভাবার সময় হোয়েছে।
কাজেই এখন প্রকৃতপক্ষেই জরুরি হচ্ছে, জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সহজ পথ বের করা, সমস্ত আমলাতান্ত্রিক জটিলতার উর্দ্ধে উঠে কিভাবে দেশের আপামর জনতার জন্য প্রকৃতপক্ষেই কাজ করা যায় সেটা নিরূপণ করা। মনে রাখতে হবে, বিল্ডিং, ব্রিজ, ইমারত, রাস্তাঘাট এগুলো উন্নতির মাপকাঠি নয়, উন্নতির মাপকাঠি হলো শান্তি, সুখ, মানবতা, সভ্যতা, মানুষ হিসেবে আমরা কতদূর উঠতে পারলাম সেটা। উন্নতি-প্রগতির জন্য নির্বাচনের দোহাই দিলেও বাস্তবে এই নির্বাচন পদ্ধতির কারণে আজ আমাদের জাতীয় থেকে শুরু কোরে গ্রাম পর্যন্ত সকলের চারিত্রিক অবনতি হচ্ছে। যতই বিধিনিষেধ আর নির্বাচনী আচরণবিধি থাকুক, বাস্তবে আমাদের দেশে দেখি, নির্বাচন উপলক্ষে ২০ টাকা থেকে শুরু কোরে লক্ষ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মাথা কেনাবেচা হয়। কেউ নমিনেশন বিক্রি কোরে খায় আর কেউ ভোট বিক্রি কোরে খায়। যে কোন নির্বাচনেই নেট ফলাফল হয়- প্রার্থিদের প্রতারণা, তাদের দ্বন্দ্ব, সংঘাত, রাজনৈতিক দলগুলোর দলীয় কোন্দল, অনৈক্য-বিভেদ, হত্যা-রাহাজানি এবং শত্র“তা। এর যেন কোন শেষ নেই। এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি জাতিকে ক্রমেই ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ কোরে দিচ্ছে। কাজেই প্রচলিত নেতা নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে ভাববার সময় এসেছে। ভাববার সময় এসেছে আমলাতান্ত্রিক সিস্টেমের কার্যকারিতা নিয়েও। সর্বোপরি, যারা নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন তাদের মধ্যে কতজন ক্ষমতার কাঙাল আর কতজন দেশসেবা কোরতে আগ্রহী সেটাও জনগণ জানে। তারা জানে যে, এই নির্বাচনে তাদের ভাগ্য পরিবর্তন হবে না। তবু তারা ভোট দিতে যান অভ্যাসে, কোন আশা নিয়ে নয়।
এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের পথ আছে। প্রশ্ন হোচ্ছে সেই পথে জাতির নেতারা হাঁটবেন নাকি নিজেদের স্বার্থ সমুন্নত রেখে দেশের স্বার্থকে উপেক্ষা কোরে পরবর্তী আরেকটি বিরাট ব্যয়বহুল নির্বাচনের পথ চেয়ে থাকবেন।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
৫ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
৪ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
৩ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
২ মে ২০২৬ ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম: ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
১ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
১ মে ২০২৬ ঢাকা

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে– এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থী বহনকারী সিএনজির সঙ্গে ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন পরিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি…
২৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ