উম্মতে মোহাম্মদি বনাম আজকের মুসলমান

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০১:০২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

শিরোনাম পড়ে অনেকের মনে খটকা লাগতে পারে যে এ আবার কেমন কথা? আমরা মুসলমানরা তো সবাই উম্মতে মোহাম্মদী, মোহাম্মদ (সা.) এর অনুসারী। তাহলে এমন প্রশ্ন আসলো কী করে? এই প্রশ্নটি আসলো, কারণ আমাদের ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। রসুলাল্লাহ যে জাতিটিকে নিজে হাতে গড়ে তুলেছিলেন সেই জাতির আকিদা, দৃষ্টিভঙ্গি আর আমাদের এই বর্তমানের ১৬০ কোটি মার খাওয়া মুসলমানের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ আলাদা। এজন্যই বড় প্রশ্নটি উঠেছে যে, রসুলাল্লাহ (সা.) তাঁর তৈরি জাতিকে নিয়ে কী করে গিয়েছেন এবং আমরা নিজেদেরকে নবীর উম্মত দাবি করে কী করছি? আসুন দেখা যাক।

রসুলাল্লাহ সকল নবীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নবী এবং তিনি সারা পৃথিবীর নবী। নবুয়্যত প্রাপ্তির পর তিনি কী করলেন? রসুলাল্লাহর কর্মক্ষেত্র পুরো দুনিয়া। তিনি পুরো পৃথিবীপশ আল্লাহ প্রদত্ত জীবন-ব্যবস্থা তথা দীনুল হক প্রতিষ্ঠা করার জন্য একটা উম্মাহ তৈরি করলেন, যার নাম উম্মতে মোহাম্মাদি। তিনি উম্মাহ তৈরি করলেন। আরবের সেই লোকগুলোকে, যারা মদ খেয়ে পড়ে থাকতো, হাটে-বাজারে মাতলামি করতো। যারা অন্য গোত্রের নারীদেরকে লুট করে নিয়ে আসত, যার কোনো বিচার হতো না। চুরি-ডাকাতি করত, এক গোত্রের সথে আরেক গোত্রের হানাহানি-রক্তপাত শত শত বছর ধরে চলত। বাবা মারা গেল সৎ ছেলেরা সৎ মাকে বিয়ে করত। কন্যা সন্তানদের জীবিত কবর দিত। দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনাই ছিল স্বাভাবিক রীতি। আল্লাহর রূহধারী সেরা জীব মানুষ হয়েও তারা কাঠ-পাথরের মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়ে থাকত। তাদের কোনো নেতৃত্ব ছিল না, কেউ কারো কথা কেউ শুনে না।

ওই মানুষগুলোকে রসুল একজন একজন করে বুঝালেন, তুমি আল্লাহর খলিফা। তুমি ইবলিসের খেলাফত করো না। তুমি লাত, মানাত, ওজ্জার দাস না। তুমি আল্লাহর খলিফা, আল্লাহর দাস। আসো, তুমি আল্লাহর খেলাফত করো। রসুলাল্লাহ মানুষকে বললেন, বলো, লা ইলাহা ইলল্লাল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই। এইভাবে একে একে মানুষগুলোকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর উপর তিনি ঐক্যবদ্ধ করলেন। সেটা কেমন ঐক্য? সীসাগলানো প্রাচীরের ন্যায় ঐক্য। ঐক্যবদ্ধ যখন করলেন, তখন তারা জাহেলি সমাজ থেকে আলাদা হয়ে গেলেন এবং আলাদা একটি জাতি তৈরি হলো। আলাদা করে তিনি তাঁর তৈরি জাতিকে শৃঙ্খলা শিক্ষা দিলেন। তাদেরকে আনুগত্য করা, যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষা দিলেন, অনুপ্রেরণা দিলেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে রসুল সংগ্রাম করলেন, সংগ্রামের যাবতীয় কষ্ট ভোগ করলেন। তাদের দুঃখে দুঃখী হলেন, সুখে সুখী হলেন। তিনি তাদের দুঃখ-দুর্দশা শুনতেন। তাদের উপর অত্যাচার হলে তাদেরকে সবর ধারণ করার নসিহত করতেন, আল্লাহর কাছে দোয়া চাইতেন। অর্থাৎ রসুল তাদেরকে আশা দিলেন, ভরসা দিলেন, অনুপ্রেরণা দিলেন, উদ্দীপনা দিলেন। তাদের সঙ্গে থেকে রসুল (সা.) একটা জাতি তৈরি করলেন। রসুলাল্লাহ নিশ্চয়ই এই জাতিটি একটি লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করলেন। সেই লক্ষ্য হলো, পুরো পৃথিবীময় আল্লাহর দেওয়া জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। যে জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হলে, পৃথিবীময় মানুষ সুখে-শান্তিতে নিরাপদভাবে বসবাস করতে পারবে।

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

তিনি নিজে সামনে থেকে জাতিকে সংগ্রামে নেতৃত্ব দিলেন। খেয়ে না খেয়ে, পেটে পাথর বেঁধে, গাছের লতা-পাতা খেয়ে, শত্রুর আঘাতে আঘাতে জর্জরিত হয়ে, রক্ত ঝরিয়ে আরব উপদ্বীপে এই দীনুল হক প্রতিষ্ঠা করলেন। ওমান, ইয়েমেন, সৈাদি আরব, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এই অংশটিকে আরব উপদ্বীপ বলা হয়। এই আরব উপদ্বীপের মধ্যে রসুলাল্লাহ দীন-প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে আল্লাহর কাছে চলে গেলেন।

রসুলাল্লাহ সারা পৃথিবীর মানুষের নবী। তাঁর উপর দায়িত্ব পুরো পৃথিবীতে আল্লাহর দেওয়া জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। পুরো পৃথিবীময় আল্লাহ প্রদত্ত জীবন-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার সেই দায়িত্ব তিনি চলে যাওয়ার আগে তাঁর তৈরি সেই জাতি উম্মতে-মোহাম্মাদীদের উপর রেখে গিয়েছেন। বিদায় হজের ভাষণে স্পষ্টভাবে বলে  গিয়েছেন, নারী উপর পুরুষের অধিকার, পুরুষের উপর নারীরও তেমন অধিকার রয়েছে। সাদার উপর কালোর, কালোর উপর সাদারও কোনো মর্যাদা নেই, আযমের উপর আরবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। আল্লাহর কছে শ্রেষ্ঠ তিনিই, যিনি তাকওয়ায় অগ্রণী। তাকওয়াবান অর্থাৎ যিনি ন্যায়-অন্যায়ের মানদণ্ডে, যিনি ন্যায়ের পক্ষে থাকবেন। এখানে সাদা-কালো, আরবি-আযমি, উচ্চ বংশ-নিম্ন বংশের, কোনো পার্থক্য নেই। আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তি মূল্যবান, যে ব্যক্তি ডানপথ অবলম্বন করবেন। ডানপথ অর্থাৎ যে তাকওয়া অবলম্বন করবেন।

রসুলাল্লাহ চলে যাওয়ার পর তাঁর তৈরি সেই উম্মতে মোহাম্মদীগণ, সাহাবাগণ বাকি দুনিয়াতেও সীমাহীন ত্যাগ, জুলুম, নির্যাতন সহ্য করে আল্লাহ প্রদত্ত জীবন-ব্যবস্থা দীন প্রতিষ্ঠা করে গেলেন। তখন কিন্তু এখনকার মতো এত দলাদলি, ফেরকা-মাজহাব, সৃষ্টি হয়নি, ঐক্য নষ্ট হয়নি, এত বাড়াবাড়ি হয়নি, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম তর্ক-বিতর্ক হয়নি। আমরা ছিলাম একজাতি। নেতা ছিলেন একজন। হুকুম মেনে চলতাম আল্লাহর। তখন আমরা সেরা জাতি ছিলাম। জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, সামরিক শক্তিতে, আমরা ছিলাম শিক্ষকের আসনে আসীন।

কিন্তু পরবর্তী ইতিহাস অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। রসুল চলে গেলেন, সাহাবারা চলে গেলেন, তাবে-তাবেয়ীনরাও চলে গেলেন। দুই-চারশত বছর চলে গিয়েছে। এরপর থেকেই শুরু হয়ে গেল বিকৃতি। আমরা উম্মতে মোহাম্মদী জীবনের লক্ষ্য ভুলে গেলাম, কর্মসূচি হারিয়ে ফেললাম, ঐক্য নষ্ট করলাম, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করলাম, যে বিষয়ের কোনো গুরুত্ব নেই, সেটাকে মহাগুরুত্বপূর্ণ বানিয়ে এক নাম্বারে নিয়ে আসলাম। যেমন- আপনি খেতে বসেছেন, আপনার খাওয়ার জন্য লাগবে ভাত। ভাতের খবর নেই, আপনার সামনে একবাটি লবণ নিয়ে আসা হলো। এরকমভাবে আমরা গুরুত্বহীন বিষয়কে মহাগুরুত্বপূর্ণ আর মহাগুরুত্বপূর্র্ণ বিষয়কে একেবারেই গুরুত্বহীন বানিয়ে ফেলেছি। ইসলামের ক্ষেত্রে বলা যায়, দীন প্রতিষ্ঠা করতে লাগবে সংগ্রাম। সেই সংগ্রাম নাই, দাড়ি, টুপিকেই প্রধান আলোচ্য বিষয়ে পরিণত করা হলো। যে কারণে আমরা নিজেদেরকে নবীর উম্মত দাবি করেও রসুলাল্লাহ যা করে গিয়েছেন, তার পুরো বিপরীত কাজটিই আমরা করছি।

রসুলাল্লাহ (সা.) তাঁর পুরো জীবনজুড়ে পুরো পৃথিবীময় মানবজাতিকে তওহীদের উপর ঐক্যবদ্ধ করার সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছেন। আর আমরা নিজেদেরকে নবীর উম্মত দাবি করেও, আমরা আল্লাহর তৈরি জীবন-ব্যবস্থা জীবনের সর্ব অঙ্গনে না মেনে মানুষদের তৈরি জীবন-ব্যবস্থা মেনে চলছি। আজ আমরা নিজেরাই এক মাজহাব আরেক মাজহাবকে, এক আলেম আরেক আলেমকে অমুক কাফের, অমুক খ্রিষ্টান, অমুক ইহুদি, অমুক বেনামাযি ইত্যদি সর্বত্র বলে, নিজেদেরকে নবীর উম্মত হিসেবে দাবি করছি। নিজেদেরকে আখেরি নবী বিশ্বনবীর উম্মত দাবি করে আমরা অন্তত এই কথাগুলো বলতে পারি না। আমাদের দৃষ্টি সংকীর্ণ হলে চলবে না।

এক আল্লাহ, এক রসুল, এক কেতাবের অনুসারী হয়েও মুসলমান জাতি আজ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। জাতি হিসেবে আজ সর্বপর্যায়ে আমরা অন্যান্য জাতিগুলোর হাতে পরাজিত হচ্ছি। গত কয়েক শতাব্দি ধরে তাই চলছে। পরবর্তীতে আমরা হালাকু খানের হাতে মার খেয়েছি, কচুকাটা হয়েছি, রুখে দাঁড়াতে পারি নাই। ইউরোপিয়ানদের হাতে মার খেয়েছি, তারা চলে যাওয়ার পর আমাদেরকে একটি বিকৃত রাষ্ট্রব্যবস্থা ও জীবনধারা দিয়ে গিয়েছে। যে ব্যবস্থাই আমরা সর্বত্র মেনে চলছি। আল্লাহর তৈরি জীবব্যবস্থা না মেনে ইউরোপীয়ানদের তৈরি জীবন-ব্যবস্থা মেনে চলে আমরা আজ পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ হতে পারিনি। এখন জাতি এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে। সকল মানুষের উদ্দেশে আমরা হেযবুত তওহীদ বলতে চাই, যে কোনো মূল্যে, যেকোনো ভাবে জাতিটাকে রক্ষা করতে হবে, ঈমানে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, তওহীদে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সেই ঐক্যের ভিত্তি হলো “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই। এই কথার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করে মানবজীবনে এই সত্যদীনটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
৫ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
৪ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
৩ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
২ মে ২০২৬ ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
১ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
১ মে ২০২৬ ঢাকা

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থী বহনকারী সিএনজির সঙ্গে ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন পরিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি…
২৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা

পন্নী পরিবারের শিকড়: কররানি রাজবংশের গৌরবগাথা
রিয়াদুল হাসান গৌড়ের রাজ দরবারে চাচা কুতুব খানের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ দাসত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে সুলতান তাজ খান কররানির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন যুবক ঈসা খাঁ ও ইসমাইল…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!

সোনার মাটিতে ভিনদেশি বিষ: বাণিজ্যচুক্তির আড়ালে দেশি কৃষিকে হত্যার আয়োজন!
শাহাদৎ হোসেন:বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হলো এই মাটির কৃষক। কৃষকদের আমরা বলি, সব সাধকের বড় সাধক। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে তারা যে ফসল ফলায়,…
২৭ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ