প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ধর্মজীবীরা কেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে...

ধর্মজীবীরা কেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারেন না?

১৩ মে ২০২১ ০৮:৪৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান

পূর্ববর্তী ধর্মের অনুসারী সম্প্রদায়গুলোর ধর্মীয় পুরোহিতদের সাথে বর্তমানের বিকৃত ইসলামের ধর্মব্যবসায়ী শ্রেণিটির যথেষ্ট মিল আছে। এমন আকর্ষণীয় সুরে তারা বয়ান করে থাকেন যে, তারা যা বলেন মানুষ তাকেই সত্য কথা, কোর’আন হাদিসের কথা মনে করে। ধর্মব্যবসায়ীদের এই চিরন্তন বৈশিষ্ট্যের কথাই আল্লাহ কোর’আনে আমাদেরকে সতর্কবার্তারূপে জানিয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে, যাতে তোমরা মনে কর যে, তারা কেতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা তেলাওয়াত করছে তা আদৌ কেতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর তরফ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর তরফ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে।” [সুরা ইমরান ৭৮]

আমাদের সমাজের ধর্মজীবীরাও ঠিক এভাবেই ওয়াজ করেন করেন, যেন সবাই বিশ্বাস করে যে তারা বুঝি আল্লাহ-রসুলের কথাই বলছেন। কিন্তু আদৌ তা নয়। তারা সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী একটি ইসলামকে যা তাদের পূর্বসূরীগণ বিকৃত করেছে সেগুলোকে অভিনব মুখভঙ্গি ও সুর সহযোগে আল্লাহর নামে চালিয়ে দেন। এমন পরিষ্কারভাবে আল্লাহ এই ধর্মজীবী ওয়াজকারীদের মুখোশ উন্মোচিত করে দেওয়ার পর আর কী বলার বাকি থাকে?

নবী-রসুলদের দায়িত্ব ছিল মানুষের সামনে ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা আলাদা করে দেওয়া। এরপর ন্যায়পথে যারা চলতে চায় তাদেরকে নিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা। স্বভাবতই সেই নবীর প্রতি ঈমান আনয়নের পর প্রতিটি মো’মেনের উপরও এই একই ঐশী দায়িত্ব অর্পিত হয়। সেই মো’মেনদের দায়িত্ব কী, তারা কেন শ্রেষ্ঠ জাতি সেটা আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন,“তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানবজাতির মধ্য থেকে তোমাদের উত্থান ঘটানো হয়েছে এই জন্য যে তোমরা মানুষকে ন্যায়কাজের আদেশ করবে, অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখবে এবং আল্লাহর উপর ঈমান রাখবে।” [সুরা ইমরান ১১০]

আরও পড়ুন

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা -ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ

কিন্তু যে সকল কথিত আলেম-ওলামারা ধর্মব্যবসা করেন তাদের পক্ষে এইভাবে সত্য ও মিথ্যাকে আলাদা করে দেওয়া এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব হয় কি? কস্মিনকালেও না। এর কারণ তারা একটি শ্রেণির কাছে আত্মবিক্রয় করেছেন। এটা চিরকাল হয়ে এসেছে যে, কোনো শাসক যখন অন্যায় করেন তখন সঙ্গে সঙ্গে সেই অন্যায়ের সমর্থনে বা নিজ দায়মুক্তির জন্য আইনও তৈরি করেন। সেই আইন তৈরি করে দেন আইন পরিষদের সদস্যরা, এর পক্ষে বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন বুদ্ধিজীবীরা। পূর্বকালে যখন ধর্মের আইন দিয়ে রাষ্ট্র চলত তখন শাসকের অন্যায়কে সমর্থন যোগাতে ধর্মের বিধানের মধ্যেও যোগ-বিয়োগ করা হয়েছে। সেটা করেছেন তখনকার ধর্মবেত্তাগণ তথা আলেম-মুফতিগণ। তাদের তৈরি করা শরিয়তকেই স্রষ্টার বিধান বলে কার্যকর করা হয়েছে। আজকে আমরা ইসলামের যে রূপটি দেখি সেটার খুব সামান্যই স্রষ্টার নাজিল করা। বাকিটা ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রণীত। সুলতান, বাদশাহদের পাপ কাজকে কোর’আন সুন্নাহর মাপকাঠিতে বৈধতা দিতে তারা ভাড়াটিয়া আলেমদের ব্যবহার করেছেন যারা পদ ও সম্পদের লোভে জনগণকে ইসলাম সম্পর্কে ভুল শিখিয়েছে। আজও এই শ্রেণিটি আমাদের সমাজে রয়েছে যারা রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের প্রয়োজনমাফিক ফতোয়া ও ব্যাখ্যা প্রদান করতে অত্যন্ত পটু।

ধর্মব্যবসার একটি অতি প্রচলিত রূপ হচ্ছে মসজিদগুলোতে নামাজের ইমামতির চাকরি করা। বর্তমানে এটাই সর্বজনবিদিত রেওয়াজে পরিণত হয়েছে যে সমাজে যারা বিত্তবান, প্রভাবশালী (যাদের বিরাট একটি সংখ্যা দুর্নীতিগ্রস্ত) তাদেরকে মসজিদ কমিটির পরিচালক বা সদস্য করা হয়। তাদের আয়ের উৎস কী সেটা নিয়ে কেউ আর প্রশ্ন তোলে না, তাদের অর্থ আছে, প্রভাব আছে এটাই যোগ্যতার মানদণ্ড। এর উদ্দেশ্য যে প্রধানত অর্থনৈতিক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মসজিদের ইমামগণ এই কমিটির অধীনে চাকরি করেন। তাদের চৌহদ্দি মসজিদের চার দেওয়াল। কেউ মারা গেলে, দোকান উদ্বোধন, মুসলমানি, বিয়ে পড়ানোর জন্য, গরু বকরি জবাই করতে তাদের ডাক পড়ে। জীবনের বাস্তব অঙ্গনে তাদের কোনো অংশগ্রহণের সুযোগই নেই।

এবার দেখুন ইমামতির হাল:

খ্রিষ্টানদের প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থা ও জীবনব্যবস্থার ফলে আমাদের সমাজেও দুই ধরনের নেতা সৃষ্টি হয়েছে – ধর্মীয় নেতা এবং অধর্মীয় নেতা। আজ মসজিদে যে নামাজ হয় তাতে অর্ধশিক্ষিত কয়েক হাজার টাকার বেতনভোগী ‘ধর্মীয়’ ইমাম সাহেবের পেছনে তার তকবিরের (আদেশের) শব্দে ওঠ-বস করেন সমাজের ‘অধর্মীয়’ অর্থাৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা। নামাজ শেষ হলেই কিন্তু ঐ ‘অধর্মীয় নেতারা’ আর ‘ধর্মীয় নেতা’র দিকে চেয়েও দেখেন না। কারণ তারা জানেন যে ঐ ‘ধর্মীয়’ নেতার দাম কয়েক হাজার টাকা বেতনের বেশি কিছুই নয়, জাতীয় জীবনে তার কোনো দাম নেই, প্রভাব নেই, কর্তৃত্ব নেই। ঐ ‘ধর্মীয় নেতারা’ অর্থাৎ ইমামরা যদি ‘অধর্মীয় নেতাদের’ সামনে কোনো ধৃষ্টতা-বেয়াদবি করেন বা কোনো একটি আদেশের অবাধ্যতা করেন তবে তখনই তাদের নেতৃত্ব অর্থাৎ মসজিদের ইমামতির কাজ শেষ। পশ্চিমা খ্রিষ্টান প্রভুদের অন্ধ অনুকরণ ও আনুগত্য করতে করতে এ জাতি এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে যে, ঐ খ্রিষ্টানদের পাদ্রীদেরও তাদের জাতির উপর যেটুকু সম্মান ও প্রভাব আছে, এই ‘ইমাম’ সাহেবদের তাও নেই। কমিটির লোকেরা যত বড় অন্যায়ই করুক, সুদখোর হোক, মাদকব্যবসা করুক, ঘুষখোর হোক, ধান্ধাবাজির রাজনীতি করুক সেগুলোর শক্ত প্রতিবাদ ইমাম সাহেবরা করতে পারেন না।

এ তো গেল ব্যক্তিস্বার্থে ধর্ম বিক্রি। এভাবে বহুরকম স্বার্থে যখন ন্যায়ের কণ্ঠস্বর মৌন হয়ে যায়, তখন ‘ধর্ম’ পরাজিত হয়ে যায়। আর ধর্মের মিম্বরে দাঁড়িয়ে যখন অধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলা হয় না, তখন সমাজ থেকে ধর্ম বিদায় নিতে সময় লাগে না। আজ ঠিক সেটাই হয়েছে। ধর্ম এখন টিকে আছে কেবল বেশভূষায়, আনুষ্ঠানিকতায়, আড়ম্বরে। ধর্ম আর ন্যায়ের দ- হয়ে অন্যায়কে আঘাত করে না, বরং অন্যায়ের পক্ষে ব্যবহৃত হয়।

অথচ অন্যায়কারী মানুষের মর্জিমত না চলে আল্লাহর আয়াত দ্বারা যাবতীয় অন্যায়কে প্রতিহত করাকেই আল্লাহ জেহাদে আকবর, বড় জেহাদ বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, “তোমরা সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের (কাফের) আনুগত্য করো না এবং এর (আল্লাহর কেতাব) দ্বারা শ্রেষ্ঠ জেহাদ (জেহাদে আকবর) করো।” [সুরা ফোরকান ৫২] তিনি আরেকটি আয়াতে বলেছেন, “আমরা সত্য দ্বারা মিথ্যাকে আঘাত করি, অতঃপর তা মিথ্যার মস্তক চূর্ণ করে দেয়। মিথ্যা তৎক্ষণাৎ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।” [সূরা আম্বিয়া: ১৮] সত্য আসে মিথ্যাকে দূর করার জন্যই। এজন্যই আল্লাহ আরো বলেছেন, সত্য যখন আসে তখন মিথ্যাকে বিতাড়িত হতেই হয়। মিথ্যা তো বিতাড়িত হওয়ারই বিষয়। [সুরা বনী ইসরাইল ৮১] কাজেই ধর্মের মিম্বরে দাঁড়িয়ে সত্য দ্বারা মিথ্যাকে আঘাত করতে না পারলে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ অবস্থান নিতে না পারলে ঐ মিম্বরে দাঁড়ানোই নিরর্থক। এজন্যই আল্লাহর রসুল (সা.) বলেছেন, “সর্বোত্তম জেহাদ হচ্ছে অত্যাচারী শাসকের সামনে হক কথা বলা।” [হাদিস: তিরমীজি, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমদ, দারেমি]।

যখন অন্যায়ের প্রতিবাদ অর্থাৎ আদর্শিক লড়াই করার হিম্মত, সাহস ও যোগ্যতা জাতির মধ্যে থেকে লুপ্ত হয়ে গেল, তখন ভারসাম্যহীন সুফিবাদীরা বিকল্প হিসাবে নফসের বিরুদ্ধে জেহাদকে আবিষ্কার করলেন। আজকে জেহাদে আকবর বলতেই বোঝানো হয় নফসের বিরুদ্ধে জেহাদ। এ জেহাদের আবিষ্কর্তারা তাদের বক্তব্যের সমর্থনে মাত্র তিনটি হাদিসের উল্লেখ করতে পেরেছেন। এগুলোর একটি বর্ণনা করেছেন ইবনে নাজ্জার, একটি দায়লামি ও তৃতীয়টি খতিব। সমস্ত মুহাদ্দিসগণ এক বাক্যে ঐ তিনটি হাদিসকে দুর্বল অর্থাৎ দয়ীফ বলে রায় দিয়েছেন। হাফেয ইবনে হাজার আসকালানীর মতো বিখ্যাত মুহাদ্দীস ঐ হাদিসগুলোক হাদিস বলেই স্বীকার করেন নি। বলেছেন নফসের সঙ্গে যুদ্ধ জেহাদে আকবর, এটা হাদিসই নয়। এটি একটি আরবি প্রবাদবাক্য মাত্র [তাশদীদ উল কাভেস- হাফেজ ইবনে হাজার]। গত কয়েক শতাব্দী ধরে আল্লাহর ঘোষণার বিপরীত এই ‘জেহাদে আকবর’ চালু করার ফল এই হয়েছে যে, সমগ্র জাতি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও সংগ্রামের চরিত্র হারিয়ে নির্জীব, নিবীর্য্য, নিষ্প্রাণ হয়েছে। সেজন্য তাদের আবিষ্কৃত আত্মার বিরুদ্ধে জেহাদও দুনিয়া জোড়া তাদের মার খাওয়া ঠেকাতে পারল না, গোলাম হওয়া ঠেকাতে পারল না এমন কি চারিত্রিক অবক্ষয় থেকে সৃষ্ট সামাজিক অপরাধও দূর করতে পারল না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

গাজীপুরে হেযবুত তওহীদ সদস্যের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে হেযবুত তওহীদের এক সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ ও জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটির গাজীপুর জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১২…
১২ মে ২০২৬ জাতীয়
পারমাণবিক উত্তেজনা কমাতে মস্কোর বিশেষ উদ্যোগ

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন

ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় রাখার প্রস্তাব দিলেন পুতিন
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা…
১০ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বৈধ নথিবিহীন চীনা নাগরিকদের ফেরত নিতে গড়িমসি করায় চীনের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এক…
৫ মে ২০২৬ আন্তর্জাতিক

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি

কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজের ৮ দিন, শ্রীপুরের বাড়িতে পরিবারের আহাজারি
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:রাজধানীর কলাবাগান থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রাকিবুল হাসান সরকার শুভ (৩২) নিখোঁজ হওয়ার ৮ দিন পার হলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।…
৪ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ

শ্রীপুরে সরকারি জায়গায় নির্মিত বিএনপির সব কার্যালয় উচ্ছেদের নির্দেশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:গাজীপুরের শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের জমি দখল করে তৈরি করা বিএনপির সব অস্থায়ী কার্যালয় এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ…
৩ মে ২০২৬ ঢাকা

শ্রীপুরে স্কুলের অফিস কক্ষে চুরি

শ্রীপুরে স্কুলের  অফিস কক্ষে চুরি
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রাথমিক  বিদ্যালয়ে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার  (১মে) রাতে  উপজেলার  তেলিহাটি ইউনিয়নের…
২ মে ২০২৬ ঢাকা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা

মানবাধিকার ও বাক-স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার পথনকশা
বর্তমানে উন্নত কি অনুন্নত- সমগ্র পৃথিবীতেই এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর উপর শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো আধিপত্য বিস্তার করছে, হামলা করছে, দখল করছে; আর রাষ্ট্রগুলোর…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান

শ্রমিকের ঘাম নিয়ে ওয়াজ ও রাজনীতি -রিয়াদুল হাসান
প্রতি বছরের মতো এবারও পালিত হলো আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। কোভিড ১৯, ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ, আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ, মুদ্রাস্ফীতি- সব মিলিয়ে একের পর এক সংকটে আমাদের দেশের…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী

ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী
ইরান যুদ্ধ: বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূ-রাজনীতির নতুন সমীকরণ -হাসান মাহ্দী২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় কেঁপে ওঠে তেহরান। হামলার শুরুতেই…
২ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম

শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম
হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে একমাত্র ইসলামই সক্ষম। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক শ্রমিক সম্মেলনে…
১ মে ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি

মে দিবস উপলক্ষে বাড্ডায় ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র‍্যালি
মহান মে দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি করেছে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকরা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত অঞ্চল…
১ মে ২০২৬ ঢাকা

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে

দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে
দুনিয়াকে নরককূণ্ডে পরিণত করা হয়েছে। সর্বত্র চলছে দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, দরিদ্রের উপর ধনীর বঞ্চনা। এই নরককূণ্ড থেকে বাঁচতে হলে মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থা বাদ দিয়ে…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা

ফের সংবিধান সংশোধনে কমিটি গঠনের প্রস্তাব: আর কতবার সংশোধন হলে শান্তি ফিরবে পাঞ্জেরি! -কথক দা
জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বুধবার সংসদের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তিনি এ প্রস্তাব পেশ করেন। ১৭ সদস্য…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব

বিশ্বপরিস্থিতি, আমাদের জাতীয় সংকট এবং মুক্তির একমাত্র পথ -মুস্তাফিজ শিহাব
বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে আমরা এক ভয়াবহ অশান্তি ও অস্থিরতার চিত্র দেখতে পাই। দেশে দেশে যুদ্ধ, সংঘাত, রক্তপাত আর ত্রাহি সুরের হাহাকার। বিশেষ করে গত…
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিশেষ নিবন্ধ

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত

শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় এসএসসির পাঁচ পরিক্ষার্থী আহত
গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরিক্ষার্থী বহনকারী সিএনজির সঙ্গে ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে পাঁচজন পরিক্ষার্থী আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি…
২৮ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকা