টানা অনেকগুলো মৌসুম ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আইপিএলে বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলেছেন ডি ভিলিয়ার্স ও ক্রিস গেইল। এই দুই মারকুটে ব্যাটারের সঙ্গে ভারতীয় ব্যাটার বিরাট কোহলিও ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছেন। তবে পুরিয়ে এসেছে একই দলের জার্সিতে দীর্ঘদিন মাঠ মাতানোর সময়। রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর (আরসিবি) হয়ে ভিলিয়ার্স টানা ১১ মৌসুম এবং ৭ মৌসুম খেলেছেন গেইল। দুজনের এই দীর্ঘকালের সেবার জন্য তাদের জার্সি ‘হল অফ ফেম’-এ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আরসিবি।
মূলত দলটির অনেকগুলো স্মরণীয় মুহূর্তের উপহার দেওয়া দুই ব্যাটারকে সম্মান দেখাতেই দলটির এমন আয়োজন। আইপিএলে আরসিবির ১৭ নম্বর জার্সিতে ভিলিয়ার্স এবং ৩৩৩ নম্বর নিয়ে গেইল খেলেছিলেন। তাদের এই জার্সি দুটো সব সময়ের রিজার্ভ রাখা হবে। এরপর আর কাউকেই এই দুটি নম্বর সম্বলিত জার্সি গায়ে দিতে দেখা যাবে না।
আরসিবির অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ‘১৭ ও ৩৩৩ নম্বর জার্সি সব সময়ের জন্য অবসরে চলে যাচ্ছে। ভিলিয়ার্স ও গেইলের অনন্য অবদানের জন্য তাদের পরিহিত জার্সি দুটি হল অফ ফেমে রাখা রাখা হবে।’
নোয়াখালীতে হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

আরসিবির হয়ে টানা ১১ মৌসুমে খেলেছেন ডি ভিলিয়ার্স। শেষবার ২০২১ সালে তিনি আরসিবির জার্সি পরেছিলেন। এই জার্সিতেই ৩৭টি অর্ধশতক এবং দু’টি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। একইসঙ্গে তার সঙ্গে কোহলির পাঁচটি শতরানের জুটিও রয়েছে। ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন।
অন্যদিকে, গেইল আরসিবির হয়ে সাত মৌসুমে খেলেছেন। তার ৩৩৩ নম্বর জার্সিকে ভয় পেতেন সব প্রতিপক্ষই। ২০১৩ সালে এক মৌসুমেই তিনি ১৬ ম্যাচে ৭০৮ রান করেছিলেন। পুনে ওয়ারিয়র্সের বিরুদ্ধে তার করা অপরাজিত ১৭৫ এখন পর্যন্ত আইপিএলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান। কলকাতা নাইট রাইডার্সে আইপিএল ক্যারিয়ার শুরু করলেও গেইল পরে আরসিবিতে যোগ দেন। মাঝখানে তিনি পাঞ্জাবের হয়েও খেলেছিলেন।
















